প্রশ্ন ১. ‘ইউসুফ-জোলেখা’র কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের জন্ম কোথায়?
ক) বগুড়া
খ) সিলেট
গ) নদীয়া
ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর: ঘ) চট্টগ্রাম
Live MCQ Analytics™: Right: 43%; Wrong: 11%; Unanswered: 44%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
সঠিক উত্তর: ঘ) চট্টগ্রাম।
—————————
• শাহ মুহম্মদ সগীর:
শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি এবং ইউসুফ-জোলেখা কাব্যের রচয়িতা। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের (১৩৮৯-১৪১০ খ্রিস্টাব্দ) রাজত্বকালে এই কাব্য রচনা করেন।
– তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য তাঁর কাব্যে উল্লেখ নেই, তবে পণ্ডিতদের গবেষণার ভিত্তিতে তাঁর জন্মস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কিত তথ্য:
• ড. মুহম্মদ এনামুল হক তাঁর গবেষণায় শাহ মুহম্মদ সগীরের কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করেছেন, যেমন স্থানীয় ভাষার প্রভাব ও শব্দচয়ন।
– এই ভিত্তিতে তিনি অনুমান করেছেন যে শাহ মুহম্মদ সগীর চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন।
– এছাড়া, চট্টগ্রাম তৎকালীন সময়ে আরাকানের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল, যা তাঁর কাব্যচর্চার পটভূমির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
– তাঁর কাব্যে বাংলার স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রূপ ফুটে উঠেছে, যা চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমির সঙ্গে মিলে যায়।
——————————–
• শাহ মুহম্মদ সগীর সম্পর্কিত আরো কিছু তথ্য:
– মধ্যযুগের তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম [প্রাচীনতম] মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
– তিনি পনের শতকে সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সভাকবি ছিলেন এবং তাঁর নির্দেশে ইউসুফ-জোলেখা কাব্য রচনা করেন।।
– অনুবাদ সাহিত্যে বা রোমাণ্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি – শাহ্ মুহম্মদ সগীর।
——————————–
ইউসুফ-জোলেখা কাব্য:
• ইউসুফ-জোলেখা’ শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত কাহিনি কাব্যগ্রন্থ যা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য।
• এই কাব্যে রাজবন্দনায় তিনি নিজেকে সুলতান গিয়াসউদ্দিনের আজ্ঞার অধীন বলে উল্লেখ করেছেন, যা তাঁর সভাকবি হিসেবে পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
• কবি ‘ইউসুফ-জোলেখা’ কাব্যের রাজবন্দনা অংশে লিখেছেন-
“মনুষ্যের মৈদ্ধে জেহ্ন ধর্ম অবতার।
মহা নরপতি গ্যেজন পিরথিম্বীর সার।।”
• শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকর্ম — ইউসুফ-জুলেখা। তিনি পারস্যের জামী রচিত ‘ইউসুফ জুলেখা’ কাব্যের বাংলা অনুবাদ করেন যা এই ধারার আদি গ্রন্থ।
• বাইবেল ও কোরানে ইউসুফ-জোলেখার কাহিনি বর্ণিত আছে। সগীর বাইবেল পড়েন নি; তিনি কোরান ও ফেরদৌসির কাছে থেকেই কাহিনিসূত্র গ্রহণ করে ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি লেখেন।
• পরবর্তীতে মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ জুলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। যেমন- ইউসুফ জুলেখা নিয়ে কাব্য রচনা করেন আব্দুল হাকিম এবং শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ। তকে এই কাব্য শাহ মুহাম্মদ সগীরই প্রথম লেখেন।
——————————–
উৎস:
– বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
– বাংলাপিডিয়া।
– বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
– ইউসুফ-জোলেখা কাব্য, শাহ মুহম্মদ সগীর।
প্রশ্ন ২. ‘তিনি কথা বললেন না।’- বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ কী হবে?
ক) তিনি কথা বলতে চাইলেন না।
খ) তিনি কথা না বলে থাকতে পারলেন না।
গ) তিনি নীরব থাকতে চেষ্টা করলেন।
ঘ) তিনি চুপ করে থাকলেন।
সঠিক উত্তর: ঘ) তিনি চুপ করে থাকলেন।
Live MCQ Analytics™: Right: 76%; Wrong: 5%; Unanswered: 17%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • “তিনি কথা বললেন না।” -এর অস্তিবাচক রূপ হবে: ঘ) তিনি চুপ করে থাকলেন।
মূল বাক্য: তিনি কথা বললেন না।
– এটি একটি নেতিবাচক বাক্য, যা কথা বলার অস্তিত্ব অস্বীকার করে।
অস্তিবাচক রূপে রূপান্তর করতে হলে:
– নেতিবাচক অর্থকে ইতিবাচক আকারে প্রকাশ করতে হয়।
– কিন্তু মূল অর্থ অপরিবর্তিত থাকে।
– প্রয়োজনমতো নেতিবাচক শব্দের বাক্যাংশকে অস্তিবাচক শব্দদ্বারা অস্তিবাচকে রূপান্তর করতে হয়।
—————————
অন্য অপশনগুলো:
ক) “তিনি কথা বলতে চাইলেন না”:
এখানে “চাইলেন না” নঞর্থক পদ রয়ে গেছে। এটি সম্পূর্ণ অস্তিবাচক হয়নি।
খ) “তিনি কথা না বলে থাকতে পারলেন না”:
“পারলেন না” নঞর্থক পদটি অপরিবর্তিত আছে।
গ) “তিনি নীরব থাকতে চেষ্টা করলেন”:
এটি মূল অর্থ (“কথা না বলা”)-কে প্রচেষ্টা-তে পরিবর্তন করে, যা মূল বাক্যের সরল অর্থ নয়।
সিদ্ধান্ত:
ব্যাকরণের সূত্রানুসারে, “তিনি চুপ করে থাকলেন।” হলো সঠিক ও অর্থসংগত অস্তিবাচক রূপান্তর।
উৎস: ভাষা – শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
প্রশ্ন ৩. ফররুখ আহমদের ‘সাত সাগরের মাঝি’ কত সালে প্রকাশিত হয়?
ক) ১৯০৫
খ) ১৯৪০
গ) ১৯৪৪
ঘ) ১৯৫৫
সঠিক উত্তর: গ) ১৯৪৪
Live MCQ Analytics™: Right: 17%; Wrong: 10%; Unanswered: 71%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: সঠিক উত্তর: গ) ১৯৪৪ সাল।
• ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থ:
– ফররুখ আহমদ রচিত ‘পাঞ্জেরি’ কবিতাটি ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
– মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
– ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা আছে।
– সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।
– অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা: সিন্দাবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।
—————————
• ফররুখ আহমদ:
– ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
– তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
– ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
– ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
– ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য ‘হাতেমতায়ী’ এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
– ১৯৬৬ সালেই ‘পাখির বাসা’ শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
– ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।
ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
– সাত সাগরের মাঝি,
– সিরাজাম মুনীরা,
– নৌফেল ও হাতেম,
– মুহূর্তের কবিতা,
– সিন্দাবাদ,
– হাতেমতায়ী,
– নতুন লেখা,
– হাবেদা মরুরকাহিনী।
উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
প্রশ্ন ৪. ‘যে আলোতে কুমুদ ফোটে’- এককথায় কী হবে?
ক) কুমুদিন
খ) কৌমুদী
গ) প্রভাবতী
ঘ) বিভা
সঠিক উত্তর: খ) কৌমুদী
Live MCQ Analytics™: Right: 35%; Wrong: 6%; Unanswered: 57%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • ‘যে আলোতে কুমুদ ফোটে’ এর এককথায় প্রকাশ হলো – কৌমুদি।
অন্যদিকে,
প্রভাবান – দীপ্তি-মান, উজ্জ্বল। এর স্ত্রীবাচক শব্দ প্রভাবতী।
বিভা – আলোক, কিরণ, প্রভা, দীপ্তি, সৌন্দর্য।
আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন/ এক কথায় প্রকাশ
– ‘গম্ভীর ধ্বনি’ এর এক কথায় প্রকাশ — মন্দ্র।
– হরিণের চামড়া এর এক কথায় প্রকাশ — অজিন।
– ময়ূরের ডাক এর এক কথায় প্রকাশ — কেকা।
– ঘোড়ার ডাক এর এক কথায় প্রকাশ — হ্রেষা।
– পাখির ডাক এর এক কথায় প্রকাশ — কূজন।
– হাতির গর্জন এর এক কথায় প্রকাশ — বৃংহিত।
উৎস:
১. ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
প্রশ্ন ৫. বাক্যের অন্তর্গত শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
ক) সন্ধি
খ) পদ
গ) কাল
ঘ) কারক
সঠিক উত্তর: ঘ) কারক
Live MCQ Analytics™: Right: 25%; Wrong: 47%; Unanswered: 27%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: উত্তর: ঘ) কারক।
ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অন্তর্গত শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক বলতে শব্দগুলোর মধ্যে যে ক্রিয়াগত বা অর্থগত সম্পর্ক থাকে, তা বোঝায়। এই সম্পর্ক প্রধানত কারক অধ্যায়ে আলোচিত হয়। কারক হলো বিশেষ্য বা সর্বনামের সঙ্গে ক্রিয়ার সম্পর্ক নির্দেশক। এটি বাক্যে শব্দগুলোর ভূমিকা (যেমন, কে ক্রিয়াটি সম্পাদন করছে, ক্রিয়াটি কার উপর কাজ করছে, কোথায় ক্রিয়াটি ঘটছে ইত্যাদি) নির্ধারণ করে।
উদাহরণ: রানা বই পড়ে।
রানা – কর্তৃকারক (ক্রিয়ার সম্পাদক);
বই – কর্মকারক (ক্রিয়ার উপর কাজের লক্ষ্য);
এখানে রানা এবং বই-এর পারস্পরিক সম্পর্ক ক্রিয়া (পড়ে) এর সঙ্গে কারকের মাধ্যমে প্রকাশিত।
• বাংলায় ছয়টি কারক রয়েছে:
i) কর্তৃকারক,
ii) কর্মকারক,
iii) করণকারক,
iv) সম্প্রদান কারক,
v) অপাদান কারক, এবং
vi) অধিকরণ কারক।
তাই – কারক সঠিক উত্তর।
———————-
অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) সন্ধি:
সন্ধি হলো দুটি শব্দ বা শব্দাংশের মিলনের সময় ধ্বনিগত পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, যেমন বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়।
– সন্ধি শব্দগঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত, বাক্যে শব্দের পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গে নয়।
খ) পদ:
– শব্দে বিভক্তি যুক্ত হলেই তাকে পদ বলা হয়। অর্থাৎ, বিভক্তি যুক্ত শব্দকে পদ বলে।
– বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দ বিভক্তিযুক্ত। পদ বিশ্লেষণে শব্দের শ্রেণি নির্ধারণ করা হয়, কিন্তু শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক (ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক) সরাসরি আলোচিত হয় না।
গ) কাল:
কাল হলো ক্রিয়ার সময় নির্দেশক, যেমন বর্তমান কাল, অতীত কাল, ভবিষ্যৎ কাল।
– কাল শুধু ক্রিয়ার সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত, শব্দের পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গে নয়।
উৎস:
– বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি, ২০১৯ শিক্ষাবর্ষ।
– ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
প্রশ্ন ৬. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলে?
ক) কর্ম
খ) ধাতু
গ) প্রত্যয়
ঘ) বিভক্তি
সঠিক উত্তর: খ) ধাতু
Live MCQ Analytics™: Right: 86%; Wrong: 1%; Unanswered: 11%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
– যে পদ দ্বারা কোনো কার্য সম্পাদন করা বোঝায়, তাকে ক্রিয়াপদ বলে।
– ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
– ধাতু তিন প্রকার:
i) মৌলিক ধাতু,
ii) সাধিত ধাতু,
iii) যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
ক্রিয়াপদ:
– ক্রিয়াপদ থেকে ক্রিয়া বিভক্তি বাদ দিলে যা থাকে তাই ধাতু।
– ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওয়া যায়।
যথা:
(১) ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং
(২) ক্রিয়া বিভক্তি।
অন্যদিকে,
কর্ম:
– যা ক্রিয়ার উপর কাজের লক্ষ্য বা ফল বোঝায় (যেমন, রানা বই পড়ে—এখানে বই কর্মকারক)।
বিভক্তি:
– ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে।
বিভক্তি দুই প্রকার:
১. ক্রিয়া-বিভক্তি ও
২. কারক-বিভক্তি।
– ‘করলাম’ ক্রিয়াপদের ‘লাম’ শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং ‘কৃষকের’ পদের ‘এর’ শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।
• প্রত্যয়:
– শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
যেমন –
→ বাঘ + আ = বাঘা,
→ দিন + ইক = দৈনিক।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
প্রশ্ন ৭. শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
ক) সারা দেশব্যাপী দিবসটি উদ্যাপন করা হবে।
খ) সারা দেশে দিবসটি উদ্যাপন করা হবে।
গ) দেশব্যাপী দিবসটি উদ্যাপন করা হবে।
ঘ) সারা দেশে দিবসটি উদ্যাপন করা হবে।
সঠিক উত্তর: ঘ) সারা দেশে দিবসটি উদ্যাপন করা হবে।
Live MCQ Analytics™: Right: 70%; Wrong: 13%; Unanswered: 15%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: উত্তর: ঘ) সারা দেশে দিবসটি উদ্যাপন করা হবে।
ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় শুদ্ধ বাক্য নির্ধারণের জন্য বানান, শব্দচয়ন, এবং ব্যাকরণগত নিয়ম বিবেচনা করতে হয়।
অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) সারা দেশব্যাপী দিবসটি উদ্যাপন করা হবে:
– ‘উদ্যাপন’ বানান শুদ্ধ।
তবে ‘সারা দেশব্যাপী’ অশুদ্ধ, কারণ ‘সারা’ এবং ‘দেশব্যাপী’র দ্বৈত ব্যবহার অপ্রয়োজনীয়।
অর্থ্যাৎ, বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
খ) সারা দেশে দিবসটি উদ্যাপন করা হবে:
– ‘উদ্যাপন’ বানান অশুদ্ধ।
অর্থ্যাৎ, বানান ভুলের কারণে বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
গ) দেশব্যাপী দিবসটি উদ্যাপন করা হবে:
– ‘উদ্যাপন’ বানান অশুদ্ধ।
অর্থ্যাৎ, বানান ভুল এবং বাক্যাংশের অপ্রচলিত ব্যবহারের কারণে শুদ্ধ নয়।
ঘ) সারা দেশে দিবসটি উদ্যাপন করা হবে:
– ‘উদ্যাপন’ বানান শুদ্ধ।
– ‘সারা দেশে’ ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ এবং প্রচলিত ব্যবহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অর্থাৎ, বাক্যটি বানান এবং ব্যাকরণের দিক থেকে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
উৎস:
– বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
– ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
প্রশ্ন ৮. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের প্রথম খণ্ডের নাম কী?
ক) জন্মখন্ড
খ) তাম্বুলখণ্ড
গ) দানখণ্ড
ঘ) রাধাবিরহ
সঠিক উত্তর: ক) জন্মখন্ড
Live MCQ Analytics™: Right: 56%; Wrong: 9%; Unanswered: 33%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
– মধ্যযুগে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’।
– শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু।
– মোট ১৩ খন্ডে ৪১৮টি পদে এটি বিন্যস্ত।
– প্রথম খণ্ড হচ্ছে – জন্ম খণ্ড।
– শেষ খণ্ড হচ্ছে – বিরহ খণ্ড।
– শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মূল কাহিনি ভাগবত থেকে নেওয়া হলেও এতে বিভিন্ন পুূরাণ এবং জয়দেবের গীতগোবিন্দের প্রভাব রয়েছে।
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে। এগুলো হলো –
১. জন্ম খণ্ড,
২. তাম্বুল খণ্ড,
৩. দান খণ্ড,
৪. নৌকা খণ্ড,
৫. ভার খণ্ড,
৬. ছত্র খণ্ড,
৭. বৃন্দাবন খণ্ড,
৮. কালিয়দমন খণ্ড,
৯. যমুনা খণ্ড,
১০. হার খণ্ড,
১১. বাণ খণ্ড,
১২. বংশী খণ্ড ও
১৩. বিরহ খণ্ড।
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি –
১. কৃষ্ণ ( পরমাত্মা),
২. রাধা ( জীবাত্মা),
৩. বড়াই (এ দুয়ের সংযোগকারী অনুঘটক / দূতী)।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
প্রশ্ন ৯. অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ কোনটি?
ক) ছমছম
খ) ঝমঝম
গ) টিকটিক
ঘ) ঠিক ঠিক
সঠিক উত্তর: ক) ছমছম
Live MCQ Analytics™: Right: 81%; Wrong: 2%; Unanswered: 15%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ হলো – ছমছম।
এটি ভয়ের অনুভূতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: ভয়ে গা ছমছম করছে।
• অব্যয়ের দ্বিরুক্তি:
১. ভাবের গভীরতা বোঝাতে: তার দুঃখ দেখে সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি ছি, তুমি কী করেছ?
২. পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
৩. অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে: ভয়ে গা ছমছম করছে। ফোঁড়াটা টন টন করছে।
৪. বিশেষণ বোঝাতে: পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটি মিটি।
৫. ধ্বনিব্যঞ্জনা: ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।
অন্যদিকে,
কোন বস্তুর ধ্বনির অনুকরণে: ঝমঝম (বৃষ্টির শব্দ), চুকচুক (দুধ খাবার শব্দ) মড়মড় (গাছ ভেঙে পড়ার শব্দ) ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রশ্ন ১০. ছড়ার ছন্দকে কী বলে?
ক) স্বরবৃত্ত
খ) মাত্রাবৃত্ত
গ) অক্ষরবৃত্ত
ঘ) গদ্যছন্দ
সঠিক উত্তর: ক) স্বরবৃত্ত
Live MCQ Analytics™: Right: 38%; Wrong: 17%; Unanswered: 43%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: স্বরবৃত্ত ছন্দ:
– স্বরবৃত্ত ছন্দের বহুল প্রচলিত নাম ছড়ার ছন্দ, লৌকিক ছন্দ, লোকছন্দ, মেয়েলি ছন্দ।
– এটাকে প্রাকৃত বাংলা ছন্দও বলা হয়।
– প্রাচীন ছড়াগুলো স্বরবৃত্তে রচিত।
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একে ছড়া ছন্দ বা লোকছন্দ বলেছেন।
– এর ভাব লঘু ও চপল।
স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য:
– দ্রুত লয়ের ছন্দ।
– এই ছন্দের মূল পর্ব বা পূর্ণ পর্ব চার মাত্রাবিশিষ্ট।
– মুক্তাক্ষর এবং বদ্ধাক্ষর উভয়ই একমাত্র বিশিষ্ট,পর্বগুলো ছোট ৪ মাত্রা বিশিষ্ট।
উদাহরণ-
খোকন খোকন/ ডাক পাড়ি
খোকন মোদের/ কার বাড়ি।
অন্যদিকে,
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:
– উৎপত্তির বিচারে যে ছন্দটিকে খাঁটি বাংলা অর্থাৎ ‘তদ্ভব ছন্দ’ নামে আখ্যায়িত করা হয়, তাকেই প্রচলিত ভাষায় বলা হয় অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:
– উৎপত্তির বিচারে এ ছন্দ“তৎসম’ বা ‘অর্ধতৎসম ছন্দ’; যে ছন্দে প্রাচীন সংস্কৃত ও প্রাকৃত ছন্দের অনেক লক্ষণ অথবা অন্তত কিছুটা লক্ষণও বর্তমান আছে তাকেই বলা হয় ‘মাত্রাবৃত্ত ছন্দ’।
উৎস : ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ; বাংলাপিডিয়া; প্রাচ্য সাহিত্য সমালোচনা তত্ত্ব ও অলংকার শাস্ত্র, প্রফেসর ড. ধীরেন্দ্রনাথ তরফদার।
প্রশ্ন ১১. ‘আজ চারদিক হতে ধনিক বণিক শোষণকারীর জাত, ও ভাই জোঁকের মতন শুষছে রক্ত, কাড়ছে থালার ভাত।’ – কার লেখা?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) গোলাম মোস্তফা
ঘ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর: খ) কাজী নজরুল ইসলাম
Live MCQ Analytics™: Right: 35%; Wrong: 4%; Unanswered: 59%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • উক্ত উদ্ধৃতাংশটি:
“আজ চারদিক হতে ধনিক বণিক শোষণকারীর জাত,
ও ভাই জোঁকের মতন শুষছে রক্ত, কাড়ছে থালার ভাত।”
— “কৃষাণের গান” কবিতার অংশ, যার রচয়িতা হলেন: কাজী নজরুল ইসলাম।
• প্রশ্নে উল্লিখিত পঙক্তিগুলো কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা ‘কৃষাণের গান’ থেকে নেওয়া। এই কবিতাটি নজরুলের বিদ্রোহী সুর ও শোষিত-বঞ্চিত কৃষক সমাজের প্রতি সহানুভূতির প্রকাশ। কবিতাটি কৃষকদের দুর্দশা, শোষণ, এবং তাদের প্রতিরোধের আহ্বানকে তুলে ধরে, যা নজরুলের বিপ্লবী ও সমাজচেতনামূলক কাব্যশৈলীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
——————-
কাজী নজরুল ইসলাম:
– কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
– ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
– নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
– বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
– আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থসমূহ:
– অগ্নি-বীণা,
– সঞ্চিতা,
– চিত্তনামা,
– মরুভাস্কর,
– সর্বহারা,
– ফণি-মনসা,
– চক্রবাক,
– সাম্যবাদী,
– ছায়ানট,
– নতুন চাঁদ,
– পুবের হাওয়া।
———————–
কৃষাণের গান- কবিতা;
ওঠ রে চাষি জগদ্বাসী ধর কষে লাঙল।
আমরা মরতে আছি – ভালো করেই মরব এবার চল॥
মোদের উঠান-ভরা শস্য ছিল হাস্য-ভরা দেশ
ওই বৈশ্য দেশের দস্যু এসে লাঞ্ছনার নাই শেষ,
ও ভাই লক্ষ হাতে টানছে তারা লক্ষ্মী মায়ের কেশ,
আজ মা-র কাঁদনে লোনা হল সাত সাগরের জল॥
ও ভাই আমরা ছিলাম পরম সুখী, ছিলাম দেশের প্রাণ
তখন গলায় গলায় গান ছিল ভাই, গোলায় গোলায় ধান,
আজ কোথায় বা সে গান গেল ভাই কোথায় সে কৃষাণ?
ও ভাই মোদের রক্ত জল হয়ে আজ ভরতেছে বোতল।
আজ চারদিক হতে ধনিক বণিক শোষণকারীর জাত
ও ভাই জোঁকের মতন শুষছে রক্ত, কাড়ছে থালার ভাত,
মোর বুকের কাছে মরছে খোকা, নাইকো আমার হাত।
আর সতী মেয়ের বসন কেড়ে খেলছে খেলা খল॥
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
প্রশ্ন ১২. বাংলা অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ ব্যাকরণের কোন অংশের অন্তর্ভুক্ত করা যায়?
ক) সন্ধি
খ) উপসর্গ
গ) কারক
ঘ) প্রত্যয়
সঠিক উত্তর: খ) উপসর্গ
Live MCQ Analytics™: Right: 51%; Wrong: 12%; Unanswered: 35%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: সঠিক উত্তর: খ) উপসর্গ।
—————————-
• অব্যয়ীভাব সমাস:
অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে-সমাস হয় এবং যেখানে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। উপসর্গ একপ্রকার অব্যয়। তাই উপসর্গযোগে গঠিত সব শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস। এ সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয়ের নাম বা প্রকৃতির উল্লেখ করা হয় না। কেবল অব্যয়ের অর্থ সহযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা:
বাংলা অব্যয়ীভাব সমাসের বেশিরভাগ উদাহরণই উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
• অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ:
– উপকূল = উপ + কূল (কূলের নিকট);
– প্রতিদিন = প্রতি + দিন (প্রত্যেক দিন);
– নির্ভয় = নির্ + ভয় (ভয়ের অভাব);
– অনুকূল = অনু + কূল (কূলের অনুগত)।
এই সমাসবদ্ধ শব্দগুলো বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ অংশেও আলোচিত হয়, কারণ:
– এগুলো মূলত উপসর্গজাত শব্দ;
– উপসর্গের সাথে বিশেষ্য পদ যুক্ত হয়ে গঠিত;
– নতুন অর্থ সৃষ্টি করে;
– উপসর্গের তালিকায় এই ধরনের শব্দগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে।
অন্য অপশনগুলো:
ক) সন্ধি: ধ্বনির মিলন সংক্রান্ত।
গ) কারক: বিভক্তি ও পদের সাথে সম্পর্ক।
ঘ) প্রত্যয়: শব্দ বা ধাতুর শেষে যুক্ত হয়।
উৎস: ভাষাশিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
প্রশ্ন ১৩. Transparency শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
ক) যথার্থতা
খ) নির্ভরযোগ্যতা
গ) স্বচ্ছতা
ঘ) দুর্নীতিদমন
সঠিক উত্তর: গ) স্বচ্ছতা
Live MCQ Analytics™: Right: 84%; Wrong: 2%; Unanswered: 13%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • Transparency এর বাংলা পরিভাষা – স্বচ্ছতা।
প্রশ্নের সাথে প্রাসঙ্গিক আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা:
• Accuracy: নির্ভুলতা, যথার্থ, যথাযথতা।
• Precision: যথাযথতা, স্পষ্টতা।
• Anti-corruption: দুর্নীতি-নিরোধ, দুর্নীতি দমন।
• Reliable: নির্ভরযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য।
• Reliability: নির্ভরযোগ্যতা, বিশ্বাসযোগ্যতা।
আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণপারিভাষিক শব্দ হলো:
• ‘Invoice’ – চালান, প্রেরিতক-সূচি।
• ‘Equation’ – সমীকরণ।
• ‘Edition’ – সংস্করণ
• ‘Appendix’ – পরিশিষ্ট
• ‘Memorandum’ – স্মারকলিপি
• ‘Equation’ – সমীকরণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
প্রশ্ন ১৪. প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
ক) ডাক্তারখানা
খ) অনুগমন
গ) দিলখোলা
ঘ) সম্রাট
সঠিক উত্তর: ক) ডাক্তারখানা
Live MCQ Analytics™: Right: 35%; Wrong: 30%; Unanswered: 34%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: উত্তর: ক) ডাক্তারখানা।
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ – ডাক্তার + খানা = ডাক্তারখানা।
অপশন বিশ্লেষণ:
খ) অনুগমন: অনুগমন শব্দটি গম্ (সংস্কৃত ধাতু, যাওয়া বা চলা) এর সঙ্গে অনু- (উপসর্গ) এবং -অন (প্রত্যয়, ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠন করে) যুক্ত হয়ে গঠিত।
গঠন: অনু (উপসর্গ) + √গম্ + – অন (প্রত্যয়) = অনুগমন।
– এটি প্রত্যয় এবং উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ।
গ) দিলখোলা: দিলখোলা একটি সমাসবদ্ধ শব্দ।
– এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ নয়।
ঘ) সম্রাট: সম্রাট একটি তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত উপসর্গ সম্ (সম্পূর্ণ) এবং রাজ্ (রাজা) থেকে এসেছে। এটি একটি উপসর্গযুক্ত শব্দ (সম্- উপসর্গ), কিন্তু এখানে কোনো প্রত্যয় যুক্ত হয়নি।
– এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ নয়।
উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে –
• অনুগমন – উপসর্গ এবং প্রত্যয়যোগে গঠিত।
• সম্রাট – উপসর্গযোগে গঠিত।
• দিলখোলা – সমাসবদ্ধ পদ।
» শুধু ‘ডাক্তারখানা’ প্রত্যয়যোগে গঠিত হওয়ায় অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর ‘ডাক্তারখানা’ নেওয়া হলো।
————————
• প্রত্যয়:
শব্দ বা ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে তাকে প্রত্যয় বলে।
– যেমন, বাঘ + আ = বাঘা, কৃ + তব্য = কর্তব্য।
– শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয়। তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ কে তদ্ধিতান্ত শব্দ বলে।
যেমন, বাঘ + আ = বাঘা, এখানে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে। এবং বাঘা হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ ।
– অন্যদিকে, ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে কৃৎ প্রত্যয়। কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ কে কৃদান্ত শব্দ বলে।
উৎস:
– বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষ।
– বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
– বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
প্রশ্ন ১৫. ‘আফতাব’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
ক) অর্ণব
খ) রাতুল
গ) অর্ক
ঘ) জলধি
সঠিক উত্তর: গ) অর্ক
Live MCQ Analytics™: Right: 55%; Wrong: 10%; Unanswered: 34%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • ‘আফতাব’ এর সমার্থক শব্দ – অর্ক।
• ‘সূর্য’ এর সমার্থক শব্দ:
– অর্ক,
– আফতাব,
– আদিত্য,
– মিহির,
– অরুণ,
– রবি,
– তপন,
– মার্তণ্ড,
– সবিতা ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
‘অর্ণব’ ও ‘জলধি‘ হলো সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ।
‘রাতুল‘ শব্দের সমার্থক শব্দ – রক্ত বর্ণ, লাল।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
প্রশ্ন ১৬. কোনটি বিশেষণ?
ক) সৎ
খ) একতা
গ) দর্শন
ঘ) জনতা
সঠিক উত্তর: ক) সৎ
Live MCQ Analytics™: Right: 77%; Wrong: 7%; Unanswered: 15%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
উত্তর: ক) সৎ।
বিশেষণ:
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষণ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনামের গুণ, পরিমাণ, পরিমাপ, অবস্থা, বা পরিচয় বোঝায় এবং তাকে বিশেষিত করে। বিশেষণ সাধারণত বিশেষ্যের পূর্বে বা পরে ব্যবহৃত হয়।
নিচে অপশনগুলোর বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:
ক) সৎ:
অর্থ: নৈতিকভাবে ভালো, সত্যবাদী।
– এটি একটি বিশেষণ, কারণ এটি বিশেষ্যের গুণ বা অবস্থা বোঝায়।
উদাহরণ: সৎ মানুষ (মানুষ বিশেষ্যকে সৎ বিশেষিত করছে)।
খ) একতা:
অর্থ: ঐক্য বা মিলন।
– এটি গুণবাচক বিশেষ্য।
গ) দর্শন:
অর্থ: দৃষ্টি, দর্শনশাস্ত্র, বা দেখা।
– এটি ভাববাচক বিশেষ্য।
ঘ) জনতা:
অর্থ: জনসাধারণ বা মানুষের সমষ্টি।
– এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
প্রশ্ন ১৭. ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কোন কাব্যটি বাজেয়াপ্ত হয়?
ক) ‘অনল প্রবাহ’
খ) ‘আকাঙ্ক্ষা’
গ) ‘উদ্বোধন’
ঘ) ‘নব উদ্দীপনা’
সঠিক উত্তর: ক) ‘অনল প্রবাহ’
Live MCQ Analytics™: Right: 41%; Wrong: 2%; Unanswered: 55%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • ইসমাইল হোসেন সিরাজীর ‘অনল প্রবাহ’ গ্রন্থটি ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল।
• ‘অনল প্রবাহ’ কাব্যের পরিচয়:
– সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্য ‘অনল প্রবাহ’ প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।
– ‘যা চলে গেছে তার জন্য শোক বৃথা বরং জাতির হৃতগৌরব উদ্ধারের প্রচেষ্টাই মুখ্য’-এই বাণীতে মুসলমানদের দুরবস্থা ও অধঃপতন ব্যক্ত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও রোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই কাব্যটিতে।
– ‘অনল প্রবাহে’ কবি হেমচন্দ্ৰ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ভারত ভিক্ষা’, ‘ভারত বিলাপ’ ইত্যাদি কবিতার সুস্পষ্ট প্রভাব আছে।
– ১৩১৫ বঙ্গাব্দে (১৯০৮) পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ বের হয়।
– প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি।
– এগুলো হচ্ছে : অনল-প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ : ছাত্রগণের প্রতি, মরক্কো-সঙ্কটে, আমীর- আগমনে, দীপনা, আমীর-অভ্যর্থনা।
– বইটির বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হলে তৎকালীন বাংলার সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে এবং তাঁর প্রতি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
– সিরাজী তখন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরে গিয়ে ৮ মাস আত্মগোপন করে থাকেন।
– পরে আত্মসমর্পণ করলে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচারের অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
———————–
• সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী:
– সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী লেখক, বাগ্মী এবং কৃষক নেতা।
– তিনি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন (এ কারণেই তিনি তাঁর নামের সঙ্গে ‘সিরাজী’ উপাধি যুক্ত করেন)।
– সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
– অনল প্রবাহ
– আকাঙ্ক্ষা
– উচ্ছ্বাস
– উদ্বোধন
– নব উদ্দীপনা
– স্পেন বিজয় কাব্য
– সঙ্গীত সঞ্জীবনী
– প্রেমাঞ্জলি
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
– রায়নন্দিনী,
– তারাবাঈ,
– ফিরোজা বেগম,
– নূরুদ্দীন।
• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
– স্বজাতি প্রেম,
– তুর্কি নারী জীবন,
– স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।
• ভ্রমণ কাহিনী:
– তুরস্ক ভ্রমণ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
প্রশ্ন ১৮. কোন বানানটি প্রমিত?
ক) পশ্চাদপদ
খ) পশ্চাৎগামী
গ) পশ্চাদ্ভূমি
ঘ) পশ্চাৎবর্তী
সঠিক উত্তর: গ) পশ্চাদ্ভূমি
Live MCQ Analytics™: Right: 5%; Wrong: 34%; Unanswered: 59%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • প্রমিত বানান – পশ্চাদ্ভূমি।
– এটি একটি বিশেষ্য পদ।
– শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
– পেছনের স্থান,
– পটভূমি, background।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
প্রশ্ন ১৯. ‘অন্তর্ভুক্তিমুলক’ শব্দ উচ্চারণে কয়টি অক্ষর পাওয়া যায়?
ক) ৫
খ) ৬
গ) ৭
ঘ) ৮
সঠিক উত্তর: খ) ৬
Live MCQ Analytics™: Right: 33%; Wrong: 66%; Unanswered: 0%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
সঠিক উত্তর: খ) ৬।
• ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ শব্দটির উচ্চারণ বিশ্লেষণ:
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ উচ্চারণে ৬টি পৃথক অক্ষর পাওয়া যায়।
উচ্চারণ: অন্-তোর্-ভুক্-তি-মূ-লক।
মোট অক্ষর = ৬টি।
• অক্ষর:
এর ইংরেজি নাম – syllable. অল্প প্রয়াসে যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বলে। তাই একে শব্দাংশ ও বলা হয়।
• অক্ষর মূলত দুই প্রকার।
যথা-
– মুক্তাক্ষর: টানা যাবে (যেমন- ক/লা)।
– বদ্ধাক্ষর: টানা যাবে না (যেমন- দিন, রাত)।
যেমন: ‘বিশ্ববিদ্যালয়’ শব্দে ৫টি অক্ষর রয়েছে (বি + শ্ব + বি + দ্যা + লয়)।
মুক্তাক্ষর:
যখন একটি অক্ষরে একটিই বর্ণ থাকে, তখন তাকে মুক্তাক্ষর বলে। অযুগ্ন বা মুক্ত স্বরান্ত ধ্বনিকে মুক্তাক্ষর বলে। একে স্বরান্ত অক্ষরও বলা হয়।
যেমন:
– ‘ভালোবাসো যদি বলিবে না কেন?’
এখানে (ভা) (লো) (বা) (সো) (য) (দি) (ব) (লি) (বে) (না) (কে) (ন) এই সবগুলোই (১২টি) মুক্তাক্ষর।
– মুক্তাক্ষর U চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়।
– মুক্তাক্ষর উচ্চারণের শেষে মুখ খোলা থাকে, ফলে অক্ষর উচ্চারণ করে ও তাকে প্রয়োজন মতো প্রলম্বিত করা চলে।
যেমন: অপরিচিত।
⇒ বদ্ধাক্ষর:
ব্যঞ্জনধ্বনি বা অর্ধস্বরধ্বনির মাধ্যমে যে সব অক্ষরের সমাপ্তি ঘটে তাকে বদ্ধাক্ষর বলে।
বদ্ধ অর্থ্যাৎ যুগ্মাস্বরান্ত বা ব্যঞ্জনান্ত ধ্বনিকে বদ্ধাক্ষর বলে।
যেমন : ‘সোম বার দিনরাত হরতাল।
[এখানে (সোম্) (বার্) (দিন্) (রাত) (হর্) (তাল্) এই সবগুলোই (৬টি) বদ্ধাক্ষর।]
বদ্ধাক্ষর ( – ) চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা কবিতার ছন্দ ও অক্ষর বিশ্লেষণ।
প্রশ্ন ২০. কোন শব্দে দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে?
ক) তিসি
খ) মালি
গ) লাউ
ঘ) মেয়ে
সঠিক উত্তর: গ) লাউ
Live MCQ Analytics™: Right: 44%; Wrong: 11%; Unanswered: 43%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • দ্বিস্বরধ্বনি যুক্ত শব্দ – লাউ।
দ্বিস্বরধ্বনি:
– পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়।
যেমন:
– ‘লাউ’ শব্দের [আ] পূর্ণ স্বরধ্বনি এবং [উ্] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [আউ্] তৈরি হয়েছে।
দ্বিস্বরধ্বনির কিছু উদাহরণ:
– [আই]: তাই, নাই,
– [এই]: সেই, নেই,
– [উই]: দুই, রুই,
– [ওউ]: মৌ, বউ।
বাংলা বর্ণমালায় দুটি দ্বিস্বরধ্বনির জন্য আলাদা বর্ণ নির্ধারিত আছে, যথা: ঐ এবং ঔ।
» ঐ-এর মধ্যে দুটি ধ্বনি আছে, একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি [ও] এবং একটি অর্ধস্বরধ্বনি [ই্]।
» একইভাবে ঔ-এর মধ্যে রয়েছে একটি পৃ স্বরধ্বনি [ও] এবং একটি অর্ধস্বরধ্বনি [উ্]।
অন্যদিকে,
“তিসি; মালি; মেয়ে” এর ক্ষেত্রে- দুটি পৃথক স্বরধ্বনি রয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ), মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রশ্ন ২১. Lord of the Flies was written by ________
ক) William Shakespeare
খ) William Wordsworth
গ) William Golding
ঘ) T.S. Eliot
সঠিক উত্তর: গ) William Golding
Live MCQ Analytics™: Right: 28%; Wrong: 6%; Unanswered: 65%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • Lord of the Flies:
– William Gerald Golding রচিত একটি novel.
– এটি লেখকের প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস। ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়।
– The book explores the dark side of human nature and stresses the importance of reason and intelligence as tools for dealing with the chaos of existence.
– কাহিনিতে দেখানো হয়, পারমানবিক যুদ্ধের আশঙ্কা থেকে ব্রিটিশ শিশু কিশোরদের একটি প্লেনে করে সূদুরে কোন অখ্যাত একটি দ্বীপে রেখে আসা হয়।
– তাদের সাথে প্রাপ্তবয়স্ক কিছু মানুষও ছিলো তবে প্লেন দূর্ঘটনার সূত্রে তারা নিহত হয়। এরপর সেই শিশু কিশোররা এক পর্যায়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠে । নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত নিষ্ঠুর মানুষে পরিণত হয়।
– ভাল এবং মন্দের মধ্যে যুদ্ধ এবং মানবতার লুকানো বর্বরতা সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ে উপন্যাসটি লেখা।
• The major characters of the novel are:
– Jack,
– Ralph,
– Piggy,
– Simon,
– Roger.
• William Gerald Golding was a British novelist, dramatist, and poet.
– He was an English novelist who, in 1983, won the Nobel Prize for Literature for his parables of the human condition.
• His other novels:
– Pincher Martin,
– Darkness Visible,
– Free Fall,
– The Spire,
– The Inheritors, etc.
Source: Britannica.
প্রশ্ন ২২. What does the idiom “take someone to task” mean?
ক) To give someone a task to do
খ) To praise someone for his task
গ) To rebuke someone
ঘ) To appoint someone
সঠিক উত্তর: গ) To rebuke someone
Live MCQ Analytics™: Right: 58%; Wrong: 16%; Unanswered: 24%; [Total: 8464]
ব্যাখ্যা: The correct answer is: গ) To rebuke someone.
• Take someone to task
English Meaning: to criticize or speak angrily to someone for something that they have done wrong.
Bangla Meaning: তিরস্কার করা / কঠোর ভর্ৎসনা করা।
Ex. Sentence: He was taken to task for negligence of duty.
Bangla Meaning: দায়িত্বে অবহেলার জন্য তাকে তিরস্কার করা হলো।
অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) To give someone a task to do → কাউকে কোনো কাজ দেওয়া।
খ) To praise someone for his task → কাউকে তার কাজের জন্য প্রশংসা করা।
গ) To rebuke someone → কাউকে তিরস্কার করা।
ঘ) To appoint someone → কাউকে নিয়োগ দেওয়া।
অপশন গুলোর অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, সঠিক উত্তর – গ) To rebuke someone.
Source: Cambridge Dictionary.
প্রশ্ন ২৩. What is the meaning of ‘French leave’?
ক) Leave on holidays
খ) Spending time in France
গ) Leave without permission
ঘ) Emergency leave
সঠিক উত্তর: গ) Leave without permission
Live MCQ Analytics™: Right: 37%; Wrong: 12%; Unanswered: 49%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: The correct answer is: গ) Leave without permission.
• Take French leave:
English meaning: to leave work without asking permission first.
Bangla meaning: অননুমোদিত ছুটি (নেওয়া)।
Example:
– The caretaker had taken French leave.
অন্যান্য অপশনগুলো এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
Source: Oxford Dictionary & Accessible Dictionary.
প্রশ্ন ২৪. The passive form of the sentence, “Who did the work?” is –
ক) By whom the work was done?
খ) Whom had the work done by?
গ) By whom was the work done?
ঘ) Who was the work done?
সঠিক উত্তর: গ) By whom was the work done?
Live MCQ Analytics™: Right: 68%; Wrong: 17%; Unanswered: 14%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: The correct answer is: গ) By whom was the work done?
• Who – এর পরিবর্তে প্রথমেই By whom বসবে।
– তারপর Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসবে।
– তারপর active voice- এর object টি passive voice – এর subject হবে।
– তারপর মূল verb – এর past participle বসবে।
– Sentence টি interrogative sentence – এ-ই থাকবে, তাই শেষে interrogative চিহ্ন ‘?’ বসবে।
Active voice: Who did the sum?
Passive voice: By whom was the sum done?
Active: Who did the work?
Passive: By whom was the work done?
অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) By whom the work was done?
– Interrogative structure ভুল।
– Question form এ auxiliary verb আগে আসে।
খ) Whom had the work done by?
– ভুল tense এবং structure.
ঘ) Who was the work done?
– অর্থ ও structure—দুটোই ভুল।
-“Who” ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু passive voice-এ subject “by whom” হওয়া উচিত।
– “by” preposition নেই।
Source: Advanced Learner’s HSC Communicative English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
প্রশ্ন ২৫. Choose the correct sentence.
ক) Where have you born?
খ) Where are you born?
গ) Where were you born?
ঘ) Where did you born?
সঠিক উত্তর: গ) Where were you born?
Live MCQ Analytics™: Right: 37%; Wrong: 41%; Unanswered: 21%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: Correct sentence: গ) Where were you born?
Bangla: আপনি কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
• এটি একটি past simple tense (অতীত কাল) এর প্রশ্ন। জন্ম হওয়া একটি অতীতের ঘটনা, তাই এখানে Past form ব্যবহার করতে হবে। এটি সাধারণত passive voice-এ ব্যবহৃত হয়।
– জন্ম নেওয়া অর্থে ‘bear’ verb-টি সর্বদা passive voice এ থাকে।
– জন্ম হওয়া (to be born) — এটি নিজের দ্বারা ঘটে না, বরং কার্যটি ঘটে, অর্থাৎ এটি একটি passive structure.
– সব দিক বিবেচনায় এখানে সঠিক বাক্য – Where were you born?
Other Options:
ক) Where have you born?
– “Born” নিজেই একটি passive verb, তাই এর আগে have ব্যবহার করা ভুল। ‘Have you born’ grammatically incorrect.
খ) Where are you born?
– Present tense ব্যবহৃত হয়েছে, অথচ জন্ম অতীতে ঘটে, তাই ভুল।
ঘ) Where did you born?
– ‘Did’ এর পরে verb এর base form হয়, কিন্তু ‘born’ base form নয়, তাই ভুল।
প্রশ্ন ২৬. Doctor Faustus is _______
ক) a comedy
খ) a tragedy
গ) a historical novel
ঘ) an absurd play
সঠিক উত্তর: খ) a tragedy
Live MCQ Analytics™: Right: 51%; Wrong: 17%; Unanswered: 30%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: “Doctor Faustus” হলো Christopher Marlowe-এর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক। এটি একটি ট্র্যাজেডি (tragedy).
• Doctor Faustus:
– নাটকটি রচনা করেন Christopher Marlowe.
– নাটকটির পুরো নাম The Tragicall History of D. Faustus.
– ১৬০৪ সালে প্রকাশিত হওয়া এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট নাটক।
• সার-সংক্ষেপ:
– Doctor Faustus হলো Christopher Marlowe-র লেখা একটি ট্র্যাজেডি নাটক, যেখানে Faustus নামে একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী বিজ্ঞানী, শয়তান Mephistopheles এর মাধ্যমে Lucifer-এর কাছে আত্মা বিক্রির বিনিময়ে অলৌকিক ক্ষমতা অর্জন করে। Faustus তার আত্মা শয়তানকে বিক্রি করে এবং ২৪ বছর পর্যন্ত অসীম ক্ষমতা লাভ করতে চায়।
– এই সময়ের মধ্যে Faustus বিভিন্ন ধরনের অলৌকিক ক্ষমতা ব্যবহার করে, তবে তার ভিতরে গভীর অনুশোচনা ও দ্বিধা থাকে। যদিও তার কাছে বিভিন্ন সুযোগ আসে পরিত্রাণ লাভের, তবে সে কখনোই নিজেকে ত্যাগ করতে রাজি হয় না এবং শেষ পর্যন্ত তার আত্মাকে শয়তানের হাতে সমর্পণ করে।
– নাটকের শেষে, Faustus কে নরককুণ্ডে টেনে নেওয়া হয়, যেখানে সে চিরকাল শাস্তি ভোগ করে।
• Important Characters
– Doctor Faustus,
– Mephistopheles,
– Lucifer,
– The Good Angel,
– The Evil Angel,
– Wagner, etc.
• Christopher Marlowe:
– তিনি Elizabethian Period এর কবি।
– তাঁকে ‘The Father of English Tragedy’ বলা হয়।
– তিনি একজন ‘University Wit’ ছিলেন।
• His Notable Works: [plays]
– Doctor Faustus,
– The Jew of Malta,
– Tamburlaine the Great,
– Dido, Queen of Carthage.
Source: Britannica.
প্রশ্ন ২৭. She works hard. What part of speech is the underlined word?
ক) Adjective
খ) Adverb
গ) Verb
ঘ) Noun
সঠিক উত্তর: খ) Adverb
Live MCQ Analytics™: Right: 69%; Wrong: 15%; Unanswered: 15%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: সঠিক উত্তর খ) Adverb.
• She works hard. Here, the underlined part is – Adverb.
– “Hard” এখানে “works” verb-কে modify করছে।
– এটি বলছে “কিভাবে” সে কাজ করে।
– এটি adverb of manner.
• যে Word কোন Verb, Adjective বা অন্য কোন Adverb কে modify করে তাকে Adverb বলে।
• Adverb of manner:
– যে adverb কোন কিছু কিভাবে হয়/হচ্ছে তা উল্লেখ করে তাকে Adverb of manner বলে।
Hard: [adverb]
English meaning: with great effort; with difficulty.
Example:
– Work hard and play hard, that’s my motto.
– I’m not surprised he failed his exam – he didn’t exactly try very hard!
Source: Cambridge Dictionary.
প্রশ্ন ২৮. John Keats wrote _____
ক) Ode to the West Wind
খ) Ode on a Grecian Urn
গ) Tintern Abbey
ঘ) The Ancient Mariner
সঠিক উত্তর: খ) Ode on a Grecian Urn
Live MCQ Analytics™: Right: 48%; Wrong: 17%; Unanswered: 33%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: The correct answer is: খ) Ode on a Grecian Urn.
• Ode on a Grecian Urn:
– Romantic period এর বিখ্যাত লেখক John Keats রচিত।
– এটি একটি 5 stanza বিশিষ্ট কবিতা যেটি ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
– একটি Grecian urn-এর উপর অঙ্কিত শিল্পকর্মের কথা উঠে এসেছে এই কবিতায়।
– যার মাধ্যমে কবি, শিল্প, সৌন্দর্য আর সত্যের সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন।
– এই কবিতার শেষ দুই লাইন হচ্ছে –
“Beauty is truth, truth beauty, —that is all
Ye know on earth, and all ye need to know.”
অন্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) Ode to the West Wind:
→ Percy Bysshe Shelley-রচিত কবিতা।
গ) Tintern Abbey:
→ “Lines Written a Few Miles above Tintern Abbey”- William Wordsworth -রচিত কবিতা।
ঘ) The Ancient Mariner:
→ Samuel Taylor Coleridge-রচিত কবিতা।
———————-
• John Keats:
– English Romantic lyric poet who devoted his short life to the perfection of a poetry marked by vivid imagery, great sensuous appeal, and an attempt to express a philosophy through classical legend.
– তাকে ‘Poet of beauty’ বলা হয়।
• John Keats’s famous poems are:
– Ode to Psyche,
– Ode on Melancholy,
– To Autumn,
– Bright Star,
– On First Looking into Chapman’s Homer,
– Lamia,
– Hyperion,
– The Eve of St,
– La Belle Dame Sans Merci.
Source: Britannica.
প্রশ্ন ২৯. __________ others is a great deed.
ক) To help
খ) Help
গ) To helping
ঘ) To have helped
সঠিক উত্তর: ক) To help
Live MCQ Analytics™: Right: 63%; Wrong: 13%; Unanswered: 22%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: সঠিক উত্তর ক) To help.
Complete sentence: To help others is a great deed.
Bangla Meaning: অন্যদের সাহায্য করা একটি মহৎ কাজ।
• এই বাক্যে “To help others is a great deed” – এখানে infinitive subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
– বাক্যের শুরুতে subject হিসেবে infinitive ব্যবহার করার সময় “To + verb” ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
অন্য অপশনগুলো বিশ্লেষণ:
খ) Help:
→ এখানে শুধু verb base form, subject হিসেবে ব্যবহার ভুল, subject position-এ “to” ছাড়া ব্যবহার হয় না।
গ) To helping:
→ Grammatically ভুল; “to” এর পর verb-এর base form বসে, gerund নয়।
ঘ) To have helped:
→ এটি perfect infinitive, কিন্তু এই context এ এখানে simple infinitive প্রয়োজন।
• Subject হিসেবে verb ব্যবহার করতে হলে সাধারণত “To + verb” (infinitive) অথবা “verb + ing” (gerund) ব্যবহার করতে হয়।
——————–
• The infinitive of a verb has two forms: the to-infinitive and the infinitive without to.
অর্থাৎ,
• Infinitive হলো একটি verb form যা সাধারণত কোন subject বা object হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি মূল verb এর পূর্বে “to” যুক্ত থাকে।
– অর্থাৎ Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
Infinitive দুই প্রকার হতে পারে:
• To-যুক্ত Infinitive: এটি সাধারণত “to” এর সাথে ব্যবহৃত হয়,
যেমন: → I want to go to the park.
• To-বিহীন Infinitive (Bare Infinitive): এই ধরণের infinitive এর সাথে “to” থাকে না। এটি সাধারণত Let, Make, Help, Feel ইত্যাদি verb এর পর ব্যবহৃত হয়,
যেমন:→ I helped them study.
Source: Cambridge Dictionary and A Passage to the English Language by SM Zakir Hussain.
প্রশ্ন ৩০. She succeeded ___________ her good work
ক) because
খ) since
গ) because of
ঘ) as
সঠিক উত্তর: গ) because of
Live MCQ Analytics™: Right: 82%; Wrong: 1%; Unanswered: 15%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: The correct answer is: গ) because of.
Complete sentence: She succeeded because of her good work.
Bangla Meaning: সে সফল হয়েছে তার ভালো কাজের কারণে।
• “Because of” একটি preposition যা কারণ বোঝাতে noun বা noun phrase এর আগে বসে।
– “Her good work” একটি noun phrase, Noun phrase-এর আগে কারণ বোঝাতে “because of” ব্যবহার করতে হয়।
Other Options:
ক) because:
– সে-কারণে; কেননা; যেহেতু।
– এর পর সম্পূর্ণ clause (subject + verb) আসে।
খ) since:
– তারপর; তারপর থেকে; ইতিপূর্বে; ইতিমধ্যে।
– এর পর সম্পূর্ণ clause (subject + verb) আসে।
ঘ) as:
– ‘as’ কারণ বোঝায়।
– এর পর সম্পূর্ণ clause (subject + verb) আসে।
Source: Cambridge Dictionary, Accessible Dictionary.
প্রশ্ন ৩১. Choose the correct sentence.
ক) He resembles like his father.
খ) He resembles with his father.
গ) He resembles his father.
ঘ) He resembles similar to his father.
সঠিক উত্তর: গ) He resembles his father.
Live MCQ Analytics™: Right: 62%; Wrong: 18%; Unanswered: 18%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
Correct sentence: He resembles his father.
• “Resemble” অর্থ সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়া বা মিল থাকা।
– এটি একটি transitive verb, এরপর কোন Preposition বসে না, সরাসরি Object বসে।
• Transitive verb এরপর কোন Preposition বসে না।
– সরাসরি Object বসে।
– কিছু Transitive verb হলো: reach, resemble, violate, discuss, investigate, recommend, order, command, enter, ইত্যাদি।
অপশন বিশ্লেষণ:
ক) He resembles like his father.
– “Resembles” এর সঙ্গে “like” বসে না, এটি grammatically ভুল।
খ) He resembles with his father.
– “With” preposition দরকার নেই, এটি ভুল।
ঘ) He resembles similar to his father.
– “Resembles” এবং “similar to” একসঙ্গে বসানো redundancy (অতিরিক্ততা) তৈরি করে।
Source: Cambridge Dictionary; A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.
প্রশ্ন ৩২. Do you know the solution _______ the problem?
ক) of
খ) for
গ) about
ঘ) to
সঠিক উত্তর: ঘ) to
Live MCQ Analytics™: Right: 28%; Wrong: 46%; Unanswered: 24%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: Complete sentence: Do you know the solution to the problem?
Bangla: তুমি কি সমস্যার সমাধান জানো?
• “Solution” শব্দটির সঙ্গে সাধারণত “to” preposition ব্যবহার হয়। অর্থাৎ, কোনো সমস্যার সমাধান যখন বোঝানো হয়, তখন বলা হয় — solution to the problem.
• Solution to:
Example: There’s no easy solution to this problem.
অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) of – “Solution of” সাধারণত গাণিতিক সমীকরণ/ chemical reaction এর ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় (যেমন: solution of an equation).
খ) for – যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি/বিষয়ের জন্য সমাধান তৈরি করা হয়।
Example: “a solution for back pain”.
গ) about – “Solution about” একেবারেই ভুল, এমন কোনো প্রয়োগ নেই।
Source: Cambridge Dictionary; Merriam-Webster Dictionary; Collins Dictionary.
প্রশ্ন ৩৩. He as well as his parents _____________ spending vacation abroad.
ক) are
খ) is
গ) will
ঘ) can
সঠিক উত্তর: খ) is
Live MCQ Analytics™: Right: 46%; Wrong: 33%; Unanswered: 20%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে – is.
Complete sentence: He as well as his parents is spending vacation abroad.
• As well as দ্বারা দুইটি বাক্য যুক্ত হলে verb, ‘as well as’ এর পুর্বে যে subject থাকে তার number/person অনুযায়ী হয়।
• প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যে,
– As well as এর পুর্বে subject “He” singular হওয়ায় শূন্যস্থানে is বসতে পারে।
– অর্থাৎ verb হবে “He” অনুযায়ী — যা একটি singular subject. তাই verb-ও singular হবে।
• He (singular) + as well as + his parents (plural) + singular verb.
– Verb শুধু “He” অনুযায়ী হবে।
– যেহেতু অপশনে is আছে তাই এটিই সঠিক উত্তর।
Other options:
ক) are — এটা plural verb, কিন্তু subject “He” বলে singular verb দরকার।
গ) will — “will” একটি modal verb, কিন্তু এখানে Present Continuous tense (is spending) দরকার।
ঘ) can — একইভাবে, “can” modal verb হলেও এখানে উপযুক্ত tense মেলেনি।
Source: Advanced Learner’s HSC Communicative English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
প্রশ্ন ৩৪. I love reading books and ________ football.
ক) to play
খ) play
গ) playing
ঘ) to have played
সঠিক উত্তর: গ) playing
Live MCQ Analytics™: Right: 78%; Wrong: 5%; Unanswered: 16%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: সঠিক উত্তর গ) playing.
Complete sentence: I love reading books and playing football.
• Parallelism:
– The use of matching sentence structure, phrases, or longer parts so as to balance ideas of equal importance is called Parallelism.
• Parallelism এর নিয়ম অনুসারে শব্দের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়।
– এই নিয়মানুসারে and এর পূর্বে gerund থাকলে and এর পরেও gerund বসে।
– এখানে “reading” এবং পরের verb (football-এর সাথে) একই ধরনের হওয়া উচিত — অর্থাৎ parallel structure অনুসরণ করতে হবে।
– “reading” হলো gerund (verb + ing = noun এর কাজ করে)।
– তাই পরেও gerund form ব্যবহৃত হবে — অর্থাৎ “playing” football.
অন্যান্য অপশন ভুল:
ক) to play – এটি infinitive, কিন্তু প্রথম অংশ gerund, parallel structure নয়।
খ) play – এটি base form, parallel structure নয়।
ঘ) to have played – এটি perfect infinitive, অপ্রয়োজনীয় ও parallel structure নয়।
Source: Cambridge Dictionary.
প্রশ্ন ৩৫. Who composed ‘Paradise Lost’?
ক) John Donne
খ) John Keats
গ) John Dryden
ঘ) John Milton
সঠিক উত্তর: ঘ) John Milton
Live MCQ Analytics™: Right: 73%; Wrong: 5%; Unanswered: 21%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • Paradise Lost:
– Neo-classical period এর অন্যতম সাহিত্যিক John Milton রচিত একটি epic.
– তার লেখা Paradise lost কে the great Epic in English হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
– ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট বারো খণ্ডে বিভক্ত।
– এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।
– খ্রিষ্টীয় ধর্মীয় মতবাদকে প্রাধান্য দিয়ে আদি মানব এবং মানবী Adam & Eve এর স্বর্গ থেকে মর্ত্যে আগমনের কাহিনি হচ্ছে এই মহাকাব্যটির মূল উপজীব্য বিষয়।
• খোদার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার শাস্তি স্বরুপ শয়তান আর তার অনুসারীদের স্বর্গ থেকে বের করে দেওয়া হয়।
– পরাজয় মেনে নিতে না পেরে শয়তান মানবজাতিকে খোদাদ্রোহ করতে প্ররোচনা দেয় এবং এভাবে সে তার প্রতিশোধ নিতে চায়।
– ইডেন গার্ডেনে গিয়ে সে আদি মানবী ইভকে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেতে প্ররোচনা দিতে থাকে এক পর্যায়ে ইভ এবং আদম দুইজনই ফল ভক্ষণ করে।
– ফল ভক্ষণের পর তারা তাদের অপরাধ বুঝতে পারে এবং তাদেরকেও স্বর্গ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
• John Milton:
– He was born in London, England in 1608.
– তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
– তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
– মূলত কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন।
– তাকে বলা হয় the Epic Poet. এছাড়া great master of Blank Verse ও বলা হয়।
• Some notable works:
– Paradise Lost (Epic),
– Paradise Regained (Epic),
– Of Education (Prose),
– Lycidas (Elegy).
Source: Live MCQ Lecture and Britannica.
প্রশ্ন ৩৬. Charles Dickens was an English _________
ক) poet
খ) playwright
গ) politician
ঘ) novelist
সঠিক উত্তর: ঘ) novelist
Live MCQ Analytics™: Right: 57%; Wrong: 11%; Unanswered: 30%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • Charles Dickens was an English – novelist.
• Charles Dickens (1812-1870) a British novelist, journalist, editor, illustrator and social commentator.
– তিনি Victorian period এর একজন বিখ্যাত লেখক ছিলেন।
– তার পুরো নাম Charles John Huffam Dickens.
• তার রচিত বিখ্যাত কিছু উপন্যাস হলো –
– A Christmas Carol,
– David Copperfield,
– Bleak House,
– A Tale of Two Cities,
– Great Expectations,
– Our Mutual Friend.
Source: Britannica.
প্রশ্ন ৩৭. Choose the correct spelling.
ক) Repeatition
খ) Repeatation
গ) Repetition
ঘ) Ripitetion
সঠিক উত্তর: গ) Repetition
Live MCQ Analytics™: Right: 44%; Wrong: 33%; Unanswered: 21%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: Answer: গ) Repetition.
• Repetition:
English meaning: the act of doing or saying something again.
Bangla meaning: পুনরাবৃত্তি।
Example:
– His books are full of repetition.
– We want to prevent a repetition of last summer’s fires, which destroyed more than 500,000 acres of land.
Source: Cambridge Dictionary.
প্রশ্ন ৩৮. The synonym of the word ‘spectacular’ is –
ক) ugly
খ) spacious
গ) spatial
ঘ) breathtaking
সঠিক উত্তর: ঘ) breathtaking
Live MCQ Analytics™: Right: 39%; Wrong: 14%; Unanswered: 46%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: The synonym of the word ‘spectacular’ is – Breathtaking.
• Spectacular:
English meaning: very exciting to look at.
Bangla meaning: সমারোহপূর্ণ; জমকালো; সাধারণের দৃষ্টি-আকর্ষক।
অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) Ugly:
English meaning: unpleasant to look at; not attractive.
Bangla meaning: কুৎসিত; কুদর্শন; বিশ্রী; কুরূপ; অসুন্দর; কদর্য।
খ) Spacious:
English meaning: large and with a lot of space.
Bangla meaning: প্রশস্ত, চওড়া।
গ) Spatial:
English meaning: relating to space and the position, size, shape, etc. of things in it.
Bangla meaning: স্পেসসংক্রান্ত।
ঘ) Breathtaking:
English meaning: astonishing or awe-inspiring in quality, so as to take one’s breath away.
Bangla meaning: চোখ ধাঁধানো, শ্বাসরুদ্ধকর, অত্যাশ্চর্য।
অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, ‘Spectacular’ এর সাথে ‘Breathtaking’ এর অর্থের মিল রয়েছে, তাই The synonym of the word ‘Spectacular’ is – Breathtaking.
Source: Cambridge Dictionary, Accessible Dictionary & Oxford Dictionary.
প্রশ্ন ৩৯. What type of sentence is ‘Do or die’?
ক) Complex
খ) Simple
গ) Compound
ঘ) Exclamatory
সঠিক উত্তর: গ) Compound
Live MCQ Analytics™: Right: 76%; Wrong: 7%; Unanswered: 15%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: • “Do or die.” is a – Compound sentence.
– Do or die. – এই sentence টিতে ‘or’ দ্বারা দুটি clause যুক্ত আছে, তাই এটি Compound Sentence.
• Compound sentence:
– যদি কোন বাক্যে একাধিক principle clause and, or, but, yet, so, therefore ইত্যাদি coordinating conjunction দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে Compound sentence বলে।
– অর্থাৎ, Compound sentence- এ দুই বা ততোধিক principal clause বা co-ordinate clause থাকে।
Source: Advanced Learner’s HSC Communicative English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
প্রশ্ন ৪০. These books _______ me.
ক) belongs to
খ) belong to
গ) are belonged by
ঘ) belongs by
সঠিক উত্তর: খ) belong to
Live MCQ Analytics™: Right: 59%; Wrong: 21%; Unanswered: 18%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: সঠিক উত্তর খ) belong to.
Complete sentence: These books belong to me.
The person and number of the subject of the clause determine the person and number of the verb of the clause. This is called subject–verb agreement or concord.
Subject–Verb Agreement Rules:
1. If the subject is singular, the verb must be singular too.
– He/She writes every day.
2. If the subject is plural, the verb must also be plural.
– They write every day.
• “These books”, plural subject, তাই plural verb “belong” ব্যবহার হবে।
– Plural Subject সাধারণত একাধিক ব্যক্তি, বস্তুর নাম বা কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে এবং এর সাথে Plural Verb ব্যবহৃত হয়।
– Plural Verb-এর সাথে কখনো s/es যুক্ত হয় না।
অন্যান্য অপশন ভুল:
ক) belongs to – “belongs” হলো singular verb, কিন্তু subject “these books” plural.
গ) are belonged by – “belong” verb passive -এ ব্যবহার হয় না এবং ভুল preposition ব্যবহার হয়েছে।
ঘ) belongs by – ভুল preposition ব্যবহার হয়েছে এবং singular verb ব্যবহার হয়েছে যা ভুল।
Source: Cambridge Dictionary.
প্রশ্ন ৪১. বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের কততম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
ক) ১২৬তম
খ) ১৩০তম
গ) ১৩৬তম
ঘ) ১৩৯তম
সঠিক উত্তর: গ) ১৩৬তম
Live MCQ Analytics™: Right: 80%; Wrong: 3%; Unanswered: 16%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ:
– বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সম্পর্কের সূত্রপাত ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়েই। ১৯৭১ সালের এপ্রিলে ভারত সরকার জাতিসংঘের কাছে শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা দিতে অনুরোধ জানায়। এই অনুরোধে তৎকালীন জাতিসংঘ মহাসচিব কুর্ট ওয়াল্ডহেইম উদ্যোগী হন। জাতিসংঘ মহাসচিব উ থান্ট ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে মানব ইতিহাসে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে ঘোষণা করেন।
⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়। ২৩ আগস্ট বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়া সমর্থিত একটি প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু ২৫ আগস্ট চীন ওই প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করার ফলে ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করা সম্ভব হয়নি।
⇒ ১৯৭৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পুনরায় আবেদন করে। ১৯৭৪ সালের ১০ জুন নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্য পদ লাভের প্রস্তাবটি উত্থাপিত হলে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়। চীন বাংলাদেশের বিপক্ষে না গিয়ে ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে। অতঃপর প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশসহ সাধারণ পরিষদে পাঠানো হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। ওই দিনই সাধারণ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
♠ উল্লেখ্য,
– জাতিসংঘে প্রথম বাংলা ভাষণ: প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মাতৃভাষা বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
– প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি জনাব এস এ করিম।
– বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি: সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী (১৭তম)।
– বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ: বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৯ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর সদস্যপদ লাভ করে।
– বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
– সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
– জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১ম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি- ইসমাত জাহান।
উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
iii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
iv) কালের কন্ঠ পত্রিকা।
প্রশ্ন ৪২. বাংলাদেশে কখন প্রথম প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার গঠিত হয়?
ক) ১৯৭১
খ) ১৯৭২
গ) ১৯৭৫
ঘ) ১৯৮০
সঠিক উত্তর: ক) ১৯৭১
Live MCQ Analytics™: Right: 22%; Wrong: 42%; Unanswered: 34%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে প্রথম প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার গঠিত হয়।
বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার:
– মুক্তিযুদ্ধ শুরুর এক মাসের মধ্যেই ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রথম মন্ত্রিসভায় বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়। এটি মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
– শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। উল্লেখ্য, শেখ মুজিবর রহমান পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার কারণে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
– অন্যান্য মন্ত্রিসভায় মোট ৮ জন সদস্য ছিল।
– তাঁরা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
– এই সরকার দক্ষতার সহিত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে এবং পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়।
উল্লেখ্য,
– ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশের দ্বারা রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
– সে অনুযায়ী ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। এ মন্ত্রিসভা ১৯৭৩ সালের ১৬ মার্চ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
– বাঙালিদের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে স্বল্পতম সময়ে একটি সংবিধান প্রণয়ন করা হয়।
এছাড়াও,
♠ রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের বৈশিষ্ট্য:
– এই শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একাধারে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান। রাষ্ট্রপতিই প্রকৃত শাসক এবং আইনগত দিক থেকে তিনি প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী।
– রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য নন এবং আইন সভার নিকট দায়িত্বশীলও নন। তবে আইন সভার গৃহীত বিলে ভেটো দানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
– সাধারণত: রাষ্ট্রপতি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি। তিনি জনগণের কাছেই দায়ী থাকেন। এ ব্যবস্থায় মূলত: রাষ্ট্রপতি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত হন। কেবলমাত্র শাসনতন্ত্রের লঙ্ঘন, গুরুতর অসদাচরণের দায়ে কিংবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থের কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত (impeached) করা যায়।
– রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ক্ষমতার মূলত: স্বতন্ত্রীকরণ নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগ তাদের পৃথক পৃথক অস্তিত্ব বজায় রাখে।
– এ ব্যবস্থায় সংবিধান সাধারণত লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় হয়ে থাকে।
– এ শাসন ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ রাষ্ট্রপতির বিশ্বস্ত কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাঁরা আইন সভার কাছে দায়ী নন। মন্ত্রীরা তাঁদের কাজ কর্মের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে দায়ী থাকেন।
উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাজনৈতিক সংগঠন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।
প্রশ্ন ৪৩. বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম কত সালে শুরু হয়েছিল?
ক) ১৯৭৩
খ) ১৯৭৪
গ) ১৯৭৫
ঘ) ১৯৭৬
সঠিক উত্তর: ক) ১৯৭৩
Live MCQ Analytics™: Right: 18%; Wrong: 15%; Unanswered: 66%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে।
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
– BCS-এর পূর্ণরূপ: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (Bangladesh Civil Service)।
– বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মকর্তা বা ক্যাডার নিয়োগের পরীক্ষাকে বলা হয় বিসিএস পরীক্ষা (BCS Examination)।
বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission – BPSC) দ্বারা এই পরীক্ষা গৃহীত হয়ে থাকে।
⇒ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস যা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন আমলের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস থেকে উদ্ভুত হয়েছে।
– জনগণের ভোটে নির্বাচিত নীতিনির্ধারকদের প্রণীত নীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ কর্ম কমিশন বা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কতৃক নিয়োগকৃত যে বেসামরিক কর্মকর্তা বা কর্মচারিরা কাজ করেন, তাদেরকেই বিসিএস ক্যাডার (BCS Cadre) বলা হয়।
– বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর নিম্নোক্ত ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। বাছাই পরীক্ষা হয় তিন ধাপে। ধাপগুলো হলো- প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা।
⇒ বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। স্বাধীনতার পর সেই বছর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রথমবারের মতো বিসিএস-এর মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে তখনকার পরীক্ষা ছিল শুধুমাত্র মৌখিক (viva-voce) ভিত্তিক। এরপর পর্যায়ক্রমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বিসিএস পরীক্ষা চালু হয়।
– বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস ক্যাডার মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবুল কালাম।
উল্লেখ্য,
– ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়। তার ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চাকরির প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়। সংবিধানে সিভিল সার্ভিস শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি, তবে সকল শ্রেণীর সিভিল সার্ভেন্টকে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চাকরি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক অধ্যায় (১৩৬ নং অনুচ্ছেদে) অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। প্রথম, এই অনুচ্ছেদে সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের চাকরির শর্তাবলি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়, এতে সরকারকে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠন করার এবং সিভিল সার্ভিস সদস্যদের অসুবিধা ঘটতে পারে চাকরির এমন শর্তাবলি পরিবর্তন করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
⇒ পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়। এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭৩) নামে একটি কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী ছিলেন এই কমিটির প্রধান। চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ এবং এতদসংক্রান্ত একটা আইন জারি করা হয়। এই ক্যাডারের রিক্রুটমেন্ট করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, তবে বিধিবিধান প্রণীত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।
উৎস: i) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) প্রথম আলো। [link]
প্রশ্ন ৪৪. মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় (সদর দপ্তর) কোথায় ছিল?
ক) মুজিবনগর
খ) থিয়েটার রোড, কলকাতা
গ) কমিরগঞ্জ
ঘ) বেনাপোল
সঠিক উত্তর: খ) থিয়েটার রোড, কলকাতা
Live MCQ Analytics™: Right: 78%; Wrong: 4%; Unanswered: 16%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় (সদর দপ্তর) ছিল থিয়েটার রোড, কলকাতায়।
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
– মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এক উজ্জ্বল অধ্যায়।
– মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
– মুক্তিযুদ্ধ শুরুর এক মাসের মধ্যেই ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠন করা হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
– মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে।
– বাংলার শোষিত, নিপীড়িত ও নির্যাতিত জনতার মুক্তির বাসনাকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সমর্থনের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করা ছিল মুজিবনগর সরকারের স্মরণীয় সাফল্য ও কৃতিত্ব।
– স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।
⇒ মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)। পরবর্তীকালে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়। কারণ মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণের মাত্র ২ ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমা বর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
♠ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
– রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
– উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
– প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
– পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
– অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
– স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
– প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
– চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব,
– ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
⇒ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্ব:
– মুজিবনগর সরকার শাসনব্যবস্থা পরিচালনার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় গঠন করে।
– মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করে।
– মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
– এই সরকার গঠনের পর থেকে অগণিত মানুষ দেশকে মুক্ত করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
– মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং দেশে ও বিদেশে এই যুদ্ধের জনমত গড়ে তোলা ও সমর্থন আদায় করার ক্ষেত্রে এই সরকার বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ইতিহাস, SSHL প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।
প্রশ্ন ৪৫. বাংলামতি কি?
ক) এক প্রকার ধান
খ) এক প্রকার গম
গ) এক প্রকার আম
ঘ) একটি নদীর নাম
সঠিক উত্তর: ক) এক প্রকার ধান
Live MCQ Analytics™: Right: 56%; Wrong: 8%; Unanswered: 34%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: বাংলামতি:
– ‘বাংলামতি’ কৃষিতে এক প্রকার ধান।
– এটি ধানের উন্নত জাত।
– ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
– অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
– জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
– উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি
⇒ জাতের বৈশিষ্ট্য:
১। গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
২। গাছ হেলে পড়ে না।
৩। চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
৪। ভাত ঝরঝরে।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।
উল্লেখ্য,
– বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড – ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
প্রশ্ন ৪৬. ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম কোন পত্রিকা পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার উপর ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং এর প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
ক) নিউইয়র্ক টাইমস
খ) ডেইলি মেইল
গ) ডেইলি টেলিগ্রাফ
ঘ) দ্য ইনডিপেনডেন্ট
সঠিক উত্তর: গ) ডেইলি টেলিগ্রাফ
Live MCQ Analytics™: Right: 51%; Wrong: 22%; Unanswered: 26%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকা পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার উপর ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং এর প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং:
– সাইমন ড্রিং (জন্ম ১৯৪৫) ব্রিটিশ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও পরিচালক এবং ২৫শে মার্চ বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সংবাদদাতা।
– তিনি লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ, ডেইলি মেইল, দ্য সানডে টাইমস, নিউজউইক, বিবিসি টেলিভিশন রেডিও নিউজ, রয়টার প্রভৃতি গণমাধ্যমে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন।
– ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে চালুকৃত প্রথম বেসরকারি চ্যানেল একুশে টেলিভিশন-এর তিনি যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
⇒ দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
– ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করার আগে ঢাকায় অবস্থানরত প্রায় অর্ধশত বিদেশি সাংবাদিককে আটকে ফেলে তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। তাদের হোটেল থেকে সরাসরি বিমানে তুলে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় যাতে গণহত্যার কোনো খবর সংগ্রহ করতে না পারে বিশ্ব গণমাধ্যম। তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। পাকিস্তানি সামরিক আইন না মেনে তিনি হোটেলে লুকিয়ে পড়েন। শ্বাসরুদ্ধকর ৩২ ঘণ্টা সময় কাটে হোটেলের লবি, ছাদ, বার, কিচেনের মত জায়গায়। পরে তিনি ঘুরে ঘুরে প্রত্যক্ষ করেন গণহত্যার বাস্তব চিত্র। ২৭ মার্চ কারফিউ উঠে গেলে সায়মন ড্রিং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ঘুরে দেখেন।
– নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম খবর প্রকাশ করেন ৩০ মার্চ ১৯৭১, ডেইলি টেলিগ্রাফে।
– কলকাতা থেকে মুক্তিযুদ্ধের খবর সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিতেন লণ্ডনের টেলিগ্রাফ পত্রিকায়।
– ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর লন্ডনে ফিরে গেলেও ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত জেনে আবার তিনি ঢাকায় আসেন।
– ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনও তিনি ঢাকায় ছিলেন।
– একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই ব্রিটিশ সাংবাদিককে ২০১২ সালে মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননায় ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।
এছাড়াও,
– এভাবে এস্থনি ম্যাসকারেনহাস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের চাঞ্চল্যকর তথ্য সারা বিশ্বে প্রকাশ করেন।
– বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি পুরোটা সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে খবর প্রচার করে গেছেন।
– এদিকে দেশে অবরুদ্ধ থেকেও অনেক বাঙালি সাংবাদিক ঝুঁকি নিয়ে বিদেশে খবর পাঠিয়েছেন।
– একাত্তরের শহিদ নিজামউদ্দিন ও নাজমুল হক এরকমই দুজন সাংবাদিক।
– এছাড়া আকাশবাণী, বিবিসি, ভোয়া প্রভৃতি বেতারকেন্দ্র আমাদের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল।
– আকাশবাণী কলকাতা থেকে প্রতি রাতে প্রচারিত ‘সংবাদ পরিক্রমা’ খুবই জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল।
– স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ‘বজ্রকণ্ঠ’ ও ‘চরমপত্রসহ’ বিভিন্ন অনুষ্ঠান শ্রোতাদের মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছে।
উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা।
iii) সংগ্রামের নোটবুক।
প্রশ্ন ৪৭. বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার কখন গঠিত হয়?
ক) ০৮ আগস্ট ২০২৪
খ) ১০ আগস্ট ২০২৪
গ) ১২ আগস্ট ২০২৪
ঘ) ০৫ আগস্ট ২০২৪
সঠিক উত্তর: ক) ০৮ আগস্ট ২০২৪
Live MCQ Analytics™: Right: 80%; Wrong: 3%; Unanswered: 15%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকার পদত্যাগের পরে ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
– ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের তিন দিন পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
– এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
– অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
– প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
উল্লেখ্য,
– শেখ হাসিনা সরকার পদত্যাগের পরে সংসদ ভেঙে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। ফলে দেশ পরিচালনার জন্য সাংবিধানিক সরকার কাঠামো দরকার হয়।
– বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার’ নামে কোন ব্যবস্থার উল্লেখ নেই। তবে কাছাকাছি ধরনের একটি ব্যবস্থার কথা আগে বলা ছিল, যেটি ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা নামে পরিচিত।
– সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ব্যাপারে মতামত দেয় সুপ্রিমকোর্ট। সংবিধানের ওই অনুচ্ছেদে বলা বলা আছে,”যদি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে আইনের এইরূপ কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপিল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানির পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।”
– সর্বোচ্চ আদালত ‘সুপ্রিম কোর্ট’ সংবিধানের আলোকে এই সরকারের বৈধতা দিয়েছেন।
উৎস: i) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
iii) DW.
প্রশ্ন ৪৮. বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান কে?
ক) প্রধানমন্ত্রী
খ) রাষ্ট্রপতি
গ) স্পিকার
ঘ) সংসদ সচিব
সঠিক উত্তর: খ) রাষ্ট্রপতি
Live MCQ Analytics™: Right: 46%; Wrong: 33%; Unanswered: 19%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতি:
– রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন।
– রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানসমূহ বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
– নিয়মমাফিক রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত এবং তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করেন।
– বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে।
⇒ বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত এবং এদেশকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ সকল কারণেই রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী; কিন্তু অলঙ্কারিক প্রধান। রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব পালনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করতে হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। সংসদে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে পদচ্যুত করা যায়।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ (৪) অনুসারে পঁয়ত্রিশ বছর বয়স্ক বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক নির্দিষ্ট আইনের আওতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন। তাঁকে অবশ্যই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়া এই সংবিধানের আওতায় তিনি কখনও এই পদ থেকে অপসারিত হননি এই শর্তটিও পূরণ করতে হবে। তবে উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়ে তিনি কখনই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
⇒ রাষ্ট্রের প্রধান হওয়ায় সরকারের সকল কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও তিনি অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীকে নিয়োগ প্রদান করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে তিনি প্রধান বিচারপতি, এটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগ দান করে থাকেন। তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক।
⇒ রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান করে। কোন বিল সংসদে পাশ হলে তা সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। সংসদ ভেঙে দেয়া হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করে আইন তৈরি করতে পারেন যা সংসদে আইন হিসেবে গণ্য হয়।
⇒ রাষ্ট্রপতি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানসমূহকে সম্মানসূচক পদক বা খেতাব প্রদান করে থাকেন। তাঁর অনুমতি ব্যতিত দেশের কোন নাগরিক বিদেশী কোন খেতাব বা সম্মান গ্রহণ করতে পারেন না। রাষ্ট্রপতির ওপর বর্তানো কাজের অংশ হিসেবে তিনি সকল জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের দায়িত্বপূর্ব শপথ বাক্য পাঠ করান।
উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রশ্ন ৪৯. বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)-এর জন্য অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়?
ক) ০৫টি
খ) ১০টি
গ) ১৫টি
ঘ) ২০টি
সঠিক উত্তর: গ) ১৫টি
Live MCQ Analytics™: Right: 19%; Wrong: 20%; Unanswered: 60%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বর্তমানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্য অনুসারে অর্থনীতির মোট খাত ১৯টি।
❐ বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) গণনার জন্য ২০০৫-০৬ সাল ভিত্তিক অর্থনীতিকে সাধারণত ১৫টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়েছিল।
তবে, এই প্রশ্নটি পুরনো তথ্য অনুসারে করা হয়েছে। তাই এখানে সঠিক উত্তর: ১৫টি।
বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
– বাংলাদেশে জাতীয় আয় গণনার কাজটি করে থাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক বছর চলতি বাজার মূল্যে ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে থাকে। এ হিসাব করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
– বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো GDP ও GNI গণনা করার জন্য উৎপাদন ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।
⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত – ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত – ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত – ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত – ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত – ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।
উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
প্রশ্ন ৫০. বাংলাদেশের কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
ক) লুসাই পাহাড়
খ) সিকিমের পাবর্ত্য অঞ্চল
গ) তিব্বতের মানোস সরোবর
ঘ) নাগা-মনিপুর অঞ্চলের বোরাক নদী
সঠিক উত্তর: ক) লুসাই পাহাড়
Live MCQ Analytics™: Right: 60%; Wrong: 11%; Unanswered: 27%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বাংলাদেশের কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড়ে।
কর্ণফুলী নদী:
– বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
– এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে ।
– এই নদীর মোহনাতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত।
– এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার।
– এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
– এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী।
– উপ- নদী (Tributary): ইছামতি, হালদা, তুইলিয়ান পুই অথবা সাজাল লুই, থেগা অথবা কাওপুই, শুভলং-মরম ছড়া, ভান্দরজুরি খাল, শাইলক খাল, হীরার ছড়া।
– শাখা-নদী (Distributary): নাই।
⇒ ১৯৬৪ সালে কর্ণফুলী নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় কাপ্তাই বাঁধ তৈরি করা হয়।
– এই বাঁধে সঞ্চিত পানি ব্যবহার করে কাপ্তাই জলবিদ্যুেকন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
♠ উল্লেখ্য, বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:
– পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
– মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
– যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
– করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
– সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
– হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
– মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
iii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রশ্ন ৫১. ‘টঙ্ক (Tonk) আন্দোলন’ কি?
ক) সাঁওতাল বিদ্রোহ
খ) কৃষক আন্দোলন
গ) প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার আন্দোলন
ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ) কৃষক আন্দোলন
Live MCQ Analytics™: Right: 12%; Wrong: 21%; Unanswered: 66%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ ‘টঙ্ক (Tonk) আন্দোলন’ হলো কৃষক আন্দোলন।
টঙ্ক (Tonk) আন্দোলন:
– ১৯৪৬-৫০ সালে উত্তর ময়মনসিংহে কৃষকদের দ্বারা পরিচালিত আন্দোলন টঙ্ক আন্দোলন নামে পরিচিত।
– টঙ্ক মানে ধান ফলনের প্রতিশ্রুত খাজনা। স্থানীয় ভাষায় টংক শব্দটি ‘জমিতে উৎপাদিত ফলনের প্রদেয় খাজনাকে’ বুঝায়।
– টঙ্ক মূলত মুদ্রা-পূর্বকালের প্রথা। কৃষকরা ধানে তাদের খাজনা পরিশোধ করত। জমিতে ফসল হোক বা না হোক, নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান খাজনা দিতেই হবে।
– প্রথাগতভাবে টংক প্রজারা প্রতি ১.২৫ একর জমির জন্য ১০ থেকে ১৫ মণ ধান খাজনা দিত। ধানের দর ছিল প্রতি মণ সোয়া দুই টাকা। ফলে প্রতি সোয়া একরে খাজনা পড়ত ১৭ টাকা। অথচ একই সময় জোতজমির খাজনা ছিল প্রতি সোয়া একরে ৫ থেকে ৭ টাকা। সুতরাং ধানে খাজনা দিলে টাকার হিসাবে এটি দ্বিগুণেরও বেশি ছিল।
– ময়মনসিংহের কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, হালুয়াঘাট, শ্রীবর্দি ইত্যাদি থানায় বিশেষ করে সুসং এলাকায় ভয়ংকর টংক ব্যবস্থা ছিল। এসব স্থানে প্রধানত গারো ও হাজং গোষ্ঠীর লোকেরা চাষাবাদ করত।
– এই প্রথা কৃষকদের উপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করত এবং তাদের শোষণ করত।
⇒ তৎকালীন উত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে এই আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে এবং ১৯৫০ সালে টঙ্ক প্রথা ও জমিদারী প্রথা উচ্ছেদের মাধ্যমে এই আন্দোলনের সমাপ্তি হয়। তেভাগা, নানকার, নাচোল আন্দোলনের মতো এটিও ছিলো কৃষকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন।
উল্লেখ্য,
– টঙ্ক আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন সুসং-দুর্গাপুরের জমিদার সন্তান কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মণি সিংহ। টঙ্ক আন্দোলনে যে সকল লড়াকু বীর শহীদ হন, তাদের মধ্যে রাসমণি অন্যতম। তিনিই টঙ্ক আন্দোলনের প্রথম শহিদ। তিনি টঙ্ক ও কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেত্রীও ছিলেন।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
প্রশ্ন ৫২. বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনপদ কোনটি?
ক) মহাস্থানগড়
খ) পাহাড়পুর
গ) ময়নামতি
ঘ) উয়ারীবটেশ্বর
সঠিক উত্তর: ক) মহাস্থানগড়
Live MCQ Analytics™: Right: 73%; Wrong: 9%; Unanswered: 17%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনপদ হলো পুণ্ড্র এবং এর রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়।
পুণ্ড্র জনপদ:
– পুণ্ড্র ছিল পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে খুব সম্ভবত প্রাচীনতম।
– খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের (আনুমানিক) মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে উল্লিখিত পুদনগল (পুণ্ড্র নগর) এবং বগুড়া যে অভিন্ন তা একাধিক উৎস থেকে প্রমাণ করা যায়। প্রাচীন এই জনপদের সীমানা চিহ্নিত করে ড. নীহাররঞ্জন রায় লিখেছেন, “পুণ্ড্রবর্ধনের কেন্দ্র বা হৃদয়স্থানের একটি নতুন নাম পাইতেছি দশম শতক হইতে; এ নাম বরেন্দ্র অথবা বরেন্দ্রী।” অর্থাৎ এই প্রাচীন জনপদটি ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে দুটো ভিন্ন নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। কতিপয় লিপি প্রমাণে এ কথা বলা যায় যে, বরেন্দ্র পুণ্ড্রবর্ধনেরই অংশবিশেষ। মধ্যযুগের মুসলিম ঐতিহাসিকরা বরেন্দ্রিকে বলতেন বরীন্দ্র।
⇒ বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ। প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়। গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।
⇒ মহাস্থানগড়:
– মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে। সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান। ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে –
• পাহাড়পুর বিহার:
– পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
• ময়নামতি:
– ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
• উয়ারী বটেশ্বর:
– বাংলাদেশের রাজাধানী ঢাকা থেকে ৭০-৭৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে নরসিংদীর জেলার বেলাব উপজেলায় অবস্থিত দুটি গ্রামের নাম উয়ারী ও বটেশ্বর। এই দুটি প্রাচীন গ্রামে প্রাপ্ত প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নমুনার বিচারে, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন হিসাবে উয়ারী-বটেশ্বরকে উল্লেখ করা হয়। আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন প্রত্নস্থান নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বর। এ পর্যন্ত ৫০টি প্রত্নস্থান উৎখননের পর মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে।
উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।
প্রশ্ন ৫৩. একটি দেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
ক) ১৫-২০%
খ) ২০-২৫%
গ) ৩০-৩৫%
ঘ) ৩৫-৪০%
সঠিক উত্তর: খ) ২০-২৫%
Live MCQ Analytics™: Right: 76%; Wrong: 4%; Unanswered: 18%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ একটি দেশের মোট আয়তনের ২০-২৫% বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
বন:
– বন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ।
– একটি দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য দেশের মোট আয়তনের কমপক্ষে শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কারণ ভূমির ক্ষয়রোধ, ভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি, জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা, বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতির জন্য বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
⇒ বাংলাদেশের বনভূমিকে পাঁচটি অঞ্চলে ভাগ করা যায়; যথা- ১। চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি; ২। সিলেটের বনাঞ্চল; ৩। সুন্দরবন; ৪। মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি এবং ৫। দিনাজপুর ও রংপুরের বনভূমি।
– বাংলাদেশের বনভূমিতে যেসব বৃক্ষ দেখা যায় তার মধ্যে সুন্দরী, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গর্জন, সেগুন, চাপালিস, গামারি, শিরীষ, শাল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
– এছাড়া সুন্দরবনে গোলপাতা এবং সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বনে প্রচুর বাঁশ ও বেত পাওয়া যায়।
– ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, নৌকা, রেলওয়ের স্লিপার, খুঁটি প্রভৃতি তৈরিতে এসব গাছের কাঠ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবহার করা হয়।
– বন থেকে আমরা জ্বালানি কাঠও পেয়ে থাকি। বন হতে মধু, মোম, গোলপাতা, কাঠ প্রভৃতি সংগ্রহ করে অনেক লোক জীবিকা নির্বাহ করে।
উল্লেখ্য,
– বাংলাদেশের আয়তন ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কি.মি. এবং সরকার নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৩ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১৫.৫৮%।
– বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রত বনভূমির পামিাণ প্রায় ১৬ লক্ষ হেক্টর যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০.৭৪।
– বাংলাদেশের বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পারিমাণ দেশের মোট আয়তনের ২২.৩৭%।
উৎস: i) অর্থনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
iii) ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রশ্ন ৫৪. বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস কোনটি?
ক) আবগারি শুল্ক
খ) মূল্য সংযোজন কর
গ) জরিমানা ও শাস্তিমূলক ফি
ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো
Live MCQ Analytics™: Right: 70%; Wrong: 13%; Unanswered: 15%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস- আবগারি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, জরিমানা ও শাস্তিমূলক ফি অর্থাৎ উপরের সবগুলো।
আয়ের উৎস:
– কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়। এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলতঃ কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে।
⇒ কর রাজস্ব:
– কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
– বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ: আয় ও মুনাফা কর, আমদানি শুল্ক, মুল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক:, যানবাহন কর, ভূমি রাজস্ব, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়, অন্যান্য কর ও শুল্ক।
⇒ কর বহির্ভূত রাজস্ব:
– লভ্যাংশ ও মুনাফা, সুদ, প্রশাসনিক রাজস্ব, রেলওয়ে, ডাক বিভাগ, সেবা বাবদ প্রাপ্তি।
এছাড়াও
– প্রমোদ কর, বিদ্যুৎ কর, সম্পত্তি কর, পেট্রোল ও গ্যাসের উপর কর, বিদেশ ভ্রমণের কর, সেচ কর, অপরাধীদের অর্থ দন্ড প্রভৃতি উৎস হতে আয় করে থাকে।
– বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
উৎস: i) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ii) অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রশ্ন ৫৫. বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত?
ক) ১৫
খ) ২৭
গ) ৩৭
ঘ) ৩৯
সঠিক উত্তর: ঘ) ৩৯
Live MCQ Analytics™: Right: 55%; Wrong: 14%; Unanswered: 29%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সংবিধান:
– বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।
⇒ ৩৯ নং অনুচ্ছেদ:
– (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হলো।
– (২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংগঠনের প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হলো।
অন্যদিকে,
– বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ১৫ নং অনুচ্ছেদে ‘মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা’ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
– বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
– বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশের স্বাধীনতা। ৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
প্রশ্ন ৫৬. বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা কত সালে বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করে?
ক) ১৯৯৮
খ) ২০০৪
গ) ২০১৪
ঘ) ২০১৯
সঠিক উত্তর: গ) ২০১৪
Live MCQ Analytics™: Right: 27%; Wrong: 20%; Unanswered: 51%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ পোলিওমুক্ত: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
– বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৪ সালে বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করে।
⇒ ২৭ মার্চ ২০১৪ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিও মুক্ত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে।
– বাংলাদেশে যদিও ২০০৭ সাল থেকে কোন পোলিও রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি, কিন্তু ভারতে সেটির অস্তিত্ব থাকার কারণে বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করেনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
– বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এককভাবে কোনও দেশকে পোলিওমুক্ত ঘোষণা না করে সেটি অঞ্চলভিত্তিক করে থাকে, কেননা সীমানা পার হয়েও ভাইরাসের যাতায়াত হতে পারে।
– বাংলাদেশে ১৯৭০ এবং ৮০’র দশকে পোলিও আক্রান্তের সংখ্যা ছিল অনেক। সেই প্রেক্ষাপটে ১৯৭৯ সাল থেকে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিও চালু হয়। নব্বইয়ের দশকে পোলিও নির্মূলে সফলতা আসতে থাকে।
উল্লেখ্য,
⇒ পোলিও রোগের কারণ পোলিওমাইলাইটিস একটি আরএনএ ভাইরাসজনিত রোগ।
– পোলিও ভাইরাস রোগীর মলমূত্র দিয়ে বের হয়। যদিও আক্রান্ত রোগীর মলমূত্রে প্রথম সপ্তাহেই অধিক পরিমাণে বের হয়। ছয় থেকে আট সপ্তাহ পর্যন্ত তা বের হতে থাকে, অর্থাৎ ওই সময়কাল পর্যন্ত একজন পোলিও রোগী রোগ ছড়াতে পারে। পরে এই জীবাণু মলমূত্র দ্বারা কোনো খাবার বা পানীয়ের সঙ্গে মিশে শিশুর শরীরে প্রবেশ করে। সাধারণত এই সংক্রমণ শিশু-কিশোরদের মাঝে বেশি দেখা যায়।
– পোলিও, বা পোলিওমাইলাইটিস, মেরুদন্ড এবং মস্তিষ্কের স্নায়ুকে প্রভাবিত করে। এটি গুরুতর ক্ষেত্রে পক্ষাঘাত এবং শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে। টিকাই এই রোগের একমাত্র প্রতিরোধ, কারণ এর কোনো পরিচিত প্রতিকার নেই।
উৎস: i) WHO ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
iii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
প্রশ্ন ৫৭. বাংলাদেশের পোশাক সর্বাধিক কোন দেশে রপ্তানী করা হয়?
ক) যুক্তরাষ্ট্র
খ) যুক্তরাজ্য
গ) ফ্রান্স
ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর: ক) যুক্তরাষ্ট্র
Live MCQ Analytics™: Right: 80%; Wrong: 4%; Unanswered: 15%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য হলো যুক্তরাষ্ট্র।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
– দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
– জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের।
উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের তৈরি পোশাকের দেশ ভিত্তিক রপ্তানি হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
– মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
– কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।
⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৯.১০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩.৭৯ শতাংশ এবং কানাডায় ১২.০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যে রপ্তানিতে ৩.৬৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
– ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।
এছাড়াও,
– বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস ইন ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।
প্রশ্ন ৫৮. বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের (জিডিপি-র) কত শতাংশ কৃষি থেকে আসে?
ক) ১২.৪০%
খ) ১২.৮৯%
গ) ১৩.০২%
ঘ) ১৩.৩৫%
সঠিক উত্তর: ঘ) ১৩.৩৫%
Live MCQ Analytics™: Right: 4%; Wrong: 22%; Unanswered: 72%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর [BBS]-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে,বর্তমান জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ।
❐ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে, কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
➝ তবে, এই প্রশ্নটি পুরনো তথ্য অনুসারে করা হয়েছে। তাই, এখানে সঠিক উত্তর: ১৩.৩৫ শতাংশ।
বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে খাতভিত্তিক অবদান:
– বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে,
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
– কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
– শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
– সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।
অন্যদিকে,
⇒ সর্বশেষ মে, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর [BBS] ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি’র সাময়িক হিসাব প্রকাশ করা হয়েছিলো। হিসাব অনুযায়ী জিডিপিতে –
• কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
• শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
• সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।
– এছাড়াও, মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
প্রশ্ন ৫৯. বাংলাদেশের সংবিধানের নাম কি?
ক) বাংলাদেশের সংবিধান
খ) বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিধিমালা
গ) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ঘ) প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশ সংবিধান
সঠিক উত্তর: গ) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
Live MCQ Analytics™: Right: 74%; Wrong: 6%; Unanswered: 19%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সংবিধান:
– বাংলাদেশের সংবিধানের নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
⇒ সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
– ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধান রচনার লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে ৪০৩ জন সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এদের মধ্য থেকে ৩৪ জন সদস্য নিয়ে একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। ১৯৭২ সালে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল গণপরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় পাঠের পর ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান বলবৎ করা হয়।
– উল্লেখ্য, সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
⇒ বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার। স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার। হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ। সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
– সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান’।
– গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
⇒ সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
– সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
– তফসিল আছে ৭টি।
– প্রস্তাবনা আছে ১টি।
– মূলনীতি আছে ৪টি। সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি হলো: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
– সংবিধান সংশোধন হয়েছে ১৭ বার।
উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
প্রশ্ন ৬০. নিচের কোনটি বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নয়?
ক) মাছ চাষ
খ) বস্ত্র
গ) পাট
ঘ) সিমেন্ট
সঠিক উত্তর: ক) মাছ চাষ
Live MCQ Analytics™: Right: 68%; Wrong: 13%; Unanswered: 18%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: ❐ বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নয় – মাছ চাষ।
মাছ চাষ একটি কৃষিভিত্তিক কার্যক্রম।
বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড:
– বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত।
– বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ হলেও এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
– বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শিল্পগুলো হলো: পাট শিল্প, কার্পাস বয়ন শিল্প, পোশাক শিল্প, সার শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, কাগজ শিল্প, চিনি শিল্প, চা শিল্প ইত্যাদি।
⇒ পাট শিল্প: পাট শিল্প বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিল্প। এটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান, জাতীয আয় বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং অথ্যনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্তমানে পাটকলগুলো চট, থলে, বস্তা, দড়ি, ত্রিপল, ক্যানভাস, তাঁবু, কাপড় ইত্যাদি দ্রব্য উৎপাদন করছে। এ দ্রব্যসমূহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ; যেমন- ব্রিটেন, রাশিয়া, বুলগেরিয়া, লিবিয়া, ইতালি, ফ্রান্স, জাপান, মিসর, কানাডা প্রভৃতি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
– রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৮২ কোটি ডলারের পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।
⇒ বস্ত্রশিল্প: বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান গুরুত্বপূর্ণ শিল্প হচ্ছে কার্পাস বয়নশিল্প। মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে দ্বিতীয় প্রধান গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা হচ্ছে বস্ত্র। কিন্তু বাংলাদেশ এ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত তুলা ও সুতা দিয়ে বাংলাদেশের সুতা ও বস্ত্রকলগুলো পরিচালিত হয়। জাপান, সিঙ্গাপুর, হংকং, কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশ থেকে বাংলাদেশ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ তুলা, সুতিবস্ত্র ও সুতা আমদানি করে। বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পগুলো মূলত ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাজশাহী ও খুলনা জেলায় অবস্থিত।
– বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
⇒ সিমেন্ট শিল্প: বাংলাদেশ সিমেন্ট শিল্পে অনগ্রসর। প্রয়োজনীয় কাঁচামালের অভাবে এদেশ সিমেন্ট শিল্পে উন্নতি লাভ করতে পারেনি। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় মাত্র ১টি সিমেন্ট কারখানা বাংলাদেশের অংশে পড়ে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার দেশের অভ্যন্তরের চাহিদা উপলব্ধি করে দেশে সিমেন্ট শিল্প স্থাপনের জন্য যথেষ্ট উদ্যোগী হয়।
সিমেন্ট শিল্পের সহায়ক উপাদানসমূহ: চুনাপাথর, কাদামাটি, জিপসাম প্রভৃতি সিমেন্ট শিল্পের প্রধান কাঁচামাল। যেসব দেশে এসব উপাদান বেশি পাওয়া যায় সেসব দেশ সিমেন্ট শিল্পে উন্নতি লাভ করেছে। বাংলাদেশে এসব কাঁচামালের অভাব রয়েছে। ফলে এদেশ সিমেন্ট শিল্পে তেমন উন্নতি লাভ করতে পারেনি।
উৎস: i) বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সম্পদ ও শিল্প, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) প্রথম আলো।
প্রশ্ন ৬১. ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণ কোনটি?
ক) বাণিজ্যিক
খ) পারমানবিক শক্তি
গ) অর্থনৈতিক
ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ) পারমানবিক শক্তি
Live MCQ Analytics™: Right: 72%; Wrong: 7%; Unanswered: 20%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: – ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার প্রধান কারণ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। ইসরায়েল দাবি করছে, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টা করছে এবং এটি তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এই কারণেই তারা ইরানে একতরফা হামলা চালিয়েছে।
ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে চলমান যুদ্ধ:
– ইরান ও ইসরায়েল এর মধ্যে চলমান যুদ্ধ শুরু হয় ১৩ জুন ২০২৫ তারিখে।
– ১৩ জুন ইরানে আকস্মিক ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
– এরপর পাল্টা প্রতিশোধ নিতে ইরানও ইসরায়েলের ওপর হামলা শুরু করে।
– এতে দেশ দুইটির মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
– এর মাঝে যুক্তরাষ্ট্র গত ২১ জুন, ২০২৫ ইরানের প্রধান তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
– সর্বশেষ ২৩ জুন, ২০২৫ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এরপর উভয় দেশ সেইদিনেই যুদ্ধবিরতি কার্যকরের তথ্য নিশ্চিত করে।
উল্লেখ্য,
– ১৩ জুন, ২০২৫ তারিখে ইসরাইল ইরানের তেহরানের পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে যে হামলা চালায় তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’। এর লক্ষ্য ছিল তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ‘হৃদয়’-এ আঘাত হানা।
– ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর বিপরীতে ইরানের পরিচালিত অভিযানের নাম ‘ট্রু প্রমিজ ৩’। এর মাধ্যমে ইসরায়েলের ডজনখানেক সামরিক ঘাঁটি ও বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে।
সূত্র: CSIS ওয়েবসাইট ও The Economic Times.
প্রশ্ন ৬২. কোন দেশের গৃহযুদ্ধের কারণে ইউরোপজুড়ে অভিবাসী সংকট সৃষ্টি হয়েছে?
ক) সিরিয়া
খ) লেবানন
গ) আফগানিস্তান
ঘ) ইরাক
সঠিক উত্তর: ক) সিরিয়া
Live MCQ Analytics™: Right: 60%; Wrong: 4%; Unanswered: 34%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
– সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের কারণে ইউরোপজুড়ে অভিবাসী সংকট সৃষ্টি হয়। ২০১১ সালে শুরু হওয়া এই সংঘাতের ফলে লক্ষাধিক মানুষ ইউরোপে শরণার্থী হয়ে আশ্রয় নেয়।
ইউরোপের অভিবাসী সংকট:
– ইউরোপজুড়ে অভিবাসী সংকটের মূল কারণ হলো সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ,
– সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ ২০১১ সালে শুরু হয়।
– এই সংঘাতের ফলে লক্ষ লক্ষ সিরীয় নাগরিক নিরাপত্তাহীনতার কারণে নিজেদের দেশ ছেড়ে আশ্রয়ের খোঁজে পার্শ্ববর্তী দেশ এবং ইউরোপের দিকে পালাতে বাধ্য হন।
– তুরস্ক, লেবানন ও জর্ডান প্রথমে তাদের আশ্রয় দিলেও, অনেকেই পরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যান।
– এই বিশাল সংখ্যক শরণার্থী ইউরোপের সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক সংকটের সৃষ্টি করে।
– আফগানিস্তান ও ইরাকেও যুদ্ধ ও সংকট থাকলেও সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি এবং সেটি ইউরোপজুড়ে অভিবাসী সংকটের প্রধান উৎস।
সূত্র: UNHCR, European Commission ও পত্রিকা রিপোর্ট।
প্রশ্ন ৬৩. কোন ইউরোপীয় ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন?
ক) ফ্রান্সিস ড্রেক
খ) ফার্ডিনান্ড ম্যাগেলান
গ) ভাস্কো-ডা-গামা
ঘ) ক্রিস্টোফার কলম্বাস
সঠিক উত্তর: গ) ভাস্কো-ডা-গামা
Live MCQ Analytics™: Right: 74%; Wrong: 6%; Unanswered: 18%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: – পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো ডা গামা প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে ১৪৯৮ সালে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন। তিনি আফ্রিকা ঘুরে কেপ অব গুড হোপ পেরিয়ে কালিকটে পৌঁছান।
• পর্তুগিজ:
– বাণিজ্যকে মূলধন করে পর্তুগাল থেকে পর্তুগিজরা এ উপমহাদেশে আসলেও ক্রমে তাঁরা সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখে।
– ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন – ভাস্কো-ডা-গামা।
– পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
– এরপর ১৪৮৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ, আলভারেঞ্জ ক্যাব্রাল ও ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে আলবুকার্ক গোয়াতে আগমন করেন।
– আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রশ্ন ৬৪. কে প্রথম ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ ধারাটির উপস্থাপন করেন?
ক) হার্বার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান
খ) রবার্ট কিংসলে
গ) হেনরি জি. ম্যাকমিলান
ঘ) ডব্লিউ জি. পেরি
সঠিক উত্তর: ক) হার্বার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান
Live MCQ Analytics™: Right: 58%; Wrong: 3%; Unanswered: 37%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: – ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ ধারাটি প্রথম উপস্থাপন করেন কানাডিয়ান গণযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মার্শাল ম্যাকলুহান।
গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম:
– গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
– কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক ‘মার্শাল ম্যাকলুহান’ সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি ব্যবহার করেন।
– মার্শাল ম্যাকলুহান ‘দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ’ (the medium is the message) এবং ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন।
– তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ ‘The Gutenberg: The Making of Typographic Man’ এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ ‘Understanding Media’ এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন।
– তাঁর সময়ে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল।
– তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে সময় ও দূরত্ব সংকুচিত হয়ে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে।
– তিনি এ প্রযুক্তির বিস্তৃতিকে ‘ইলেকট্রনিক নার্ভাস সিস্টেম’ (Electronic Nervous System) নামে আখ্যায়িত করেছেন।
– পৃথিবী এ সিস্টেমের সাহায্যে সংযুক্ত হয়ে বিশ্বগ্রাম (Global village) এ রূপান্তরিত হয়েছে।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
প্রশ্ন ৬৫. কমনওয়েলথ কোন ধরনের দেশ নিয়ে গঠিত?
ক) ইংরেজ শাসন থেকে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশসমূহ
খ) তেল উৎপাদনকারী দেশসমূহ
গ) এশিয়া ও ইউরোপের দেশসমূহ
ঘ) স্বল্প উন্নত দেশসমূহ
সঠিক উত্তর: ক) ইংরেজ শাসন থেকে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশসমূহ
Live MCQ Analytics™: Right: 72%; Wrong: 7%; Unanswered: 19%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: – কমনওয়েলথ গঠিত হয়েছে প্রধানত ইংরেজ শাসন থেকে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশগুলোর সমন্বয়ে।
কমনওয়েলথ (Commonwealth):
– কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
– এক সময় যে সকল অঞ্চল বা জনপদগুলো ব্রিটিশ উপনিবেশ হিসেবে শাসিত হয়ে পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসন ও শোষণের হাত থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেসব রাষ্টের প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কমনওয়েলথ।
– স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ব্রিটেনের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে কমনওয়েলথ।
– ব্রিটেনের রাজা বা রানী হলেন এ সংস্থার প্রধান।
– এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।
– প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালে।
– বর্তমান সদস্য ৫৬টি।[জুলাই – ২০২৫]
– সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
– এ সংস্থার মূল লক্ষ্য হল কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সমৃদ্ধি করা।
উল্লেখ্য,
– ১৯ নভেম্বর, ১৯২৬ সালে ‘বেলফোর ঘোষণার’ (Balfour Declaration) মাধ্যমে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ অব নেশনস (British Cmmonwealth of Nations) ধারণার গোড়াপত্তন হয়।
– ১১ ডিসেম্বর, ১৯৩১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ‘স্ট্যাটিউট অব ওয়েস্ট মিনিস্টার’ (Statute of Westminster) আইন অনুমোদিত হয়।
– এ আইনের মাধ্যমে উপনিবেশগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ স্বতন্ত্র মর্যাদা লাভ করে।
– ২৮ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে ‘লন্ডন ঘোষণা’র (Landon Declaration) মাধ্যমে কমনওয়েলথ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
– তবে এ সময় সংস্থাটি থেকে ব্রিটিশ শব্দটি বাদ দিয়ে ‘কমনওয়েলথ অব নেশনস’ (Commonwealth of Nations) করা হয়।
সূত্র: Commonwealth ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন ৬৬. আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস (International Day for the Prevention of the Ozone Layer) কত তারিখে পালিত হয়?
ক) ২২ জুলাই
খ) ২৮ জুলাই
গ) ১৭ আগস্ট
ঘ) ১৬ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর: ঘ) ১৬ সেপ্টেম্বর
Live MCQ Analytics™: Right: 35%; Wrong: 6%; Unanswered: 57%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: – আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস প্রতি বছর ১৬ সেপ্টেম্বর তারিখে পালিত হয়।
আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস:
– ১৯১৩ সালে ফরাসি পদার্থবিদ চার্লস ফ্যাব্রি ও হেনরি বাইসন ওজোন স্তর আবিষ্কার করেন।
– এ স্তরের বৈশিষ্ট্য বের করেন ব্রিটিশ আবহাওয়াবিদ জিএমবি ডবসন।
– ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস পালিত হয়।
মন্ট্রিল প্রটোকল:
– Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
– মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
– বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
– ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
– গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭; মন্ট্রিল, কানাডা।
– কার্যক্রম: ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন ৬৭. কোন রাষ্ট্রের আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট?
ক) যুক্তরাষ্ট্র
খ) ভারত
গ) যুক্তরাজ্য
ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো
Live MCQ Analytics™: Right: 75%; Wrong: 7%; Unanswered: 17%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
– যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও যুক্তরাজ্য—তিনটি দেশের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।
যুক্তরাষ্ট্র:
– যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে ।
– আলাস্কা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য।
– স্বাধীনতা লাভ করে – ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
– যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস – ৪ জুলাই।
– জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য – ক্যালিফোর্নিয়া।
– আইনসভা – কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
– কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
– যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- ডোনাল্ড ট্রাম্প। [জুলাই – ২০২৫]
– প্রথম প্রেসিডেন্ট – জর্জ ওয়াশিংটন।
– যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম – আব্রাহাম লিংকন।
– যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় – ১৮৬৩ সালে।
• ভারত:
– দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।
– ভারত স্বাধীনতা লাভ করে: ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে।
– সংবিধান কার্যকর হয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
– প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয়: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
– ভারতের আইনসভা একটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট: লোকসভা (নিম্নকক্ষ) ও রাজ্যসভা (উচ্চকক্ষ)।
– ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী: জওহরলার নেহরু।
– প্রথম রাষ্ট্রপতি: ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
– প্রথম মুসলমান রাষ্ট্রপতি: জাকির হোসেন।
– প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি: প্রতিভা পাতিল।
– বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদী।
– বর্তমান রাষ্ট্রপতি: দ্রৌপদী মুর্মু (প্রথম সাঁওতাল উপজাতি রাষ্ট্রপতি)।
যুক্তরাজ্য:
– সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
– সংবিধান: অলিখিত।
– সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
– প্রথম প্রধানমন্ত্রী: রবার্ট ওয়ালপল।
– প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।
– যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
– রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
– বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
– যুক্তরাজ্যের আইনসভার নাম হলো পার্লামেন্ট। এটি একটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, এর দুটি কক্ষ হলো—উচ্চকক্ষ ‘হাউস অব লর্ডস’ এবং নিম্নকক্ষ ‘হাউস অব কমন্স’।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন ৬৮. অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব কত খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়?
ক) ১৯১৭
খ) ১৮৫৭
গ) ১৮৪৯
ঘ) ১৭৫৭
সঠিক উত্তর: ক) ১৯১৭
Live MCQ Analytics™: Right: 55%; Wrong: 5%; Unanswered: 39%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: – অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব (October Socialist Revolution) সংঘটিত হয় ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে। এই বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় বলশেভিকদের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
রুশ বিপ্লব:
– ১৯১৭ সালে রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
– ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
– এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
– এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে “১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব” (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।
– এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে ও সমাজতন্ত্রের সূচনা ঘটে।
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
– রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
– ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
– ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
– রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
– বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
– বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।
সূত্র: Britannica ও History.com
প্রশ্ন ৬৯. নিচের কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহিদ দিবসকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
ক) ইউনিসেফ
খ) ইউনেসকো
গ) ইউএন
ঘ) এডিবি
সঠিক উত্তর: খ) ইউনেসকো
Live MCQ Analytics™: Right: 83%; Wrong: 2%; Unanswered: 13%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: – ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে ‘২১ ফেব্রুয়ারি’কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
– প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
– ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
– ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
– ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
– পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।
সূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন ৭০. এশীয় দেশসমূহের মধ্যে কোনটি বিশ্বের উন্নত দেশ?
ক) চীন
খ) ভারত
গ) জাপান
ঘ) সিঙ্গাপুর
সঠিক উত্তর: গ) জাপান
Live MCQ Analytics™: Right: 34%; Wrong: 39%; Unanswered: 26%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: বিশ্বের উন্নত দেশ:
– বিশ্বের উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি৭ (G7)।
– জি ৭ গঠনের মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় নিশ্চিত করা।
– G7 ভুক্ত ৭টি দেশ তা হল –
• জাপান,
• কানাডা,
• ফ্রান্স,
• জার্মানি,
• ইতালি,
• যুক্তরাজ্য,
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
– এশিয়ান দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র জি৭ জোটে প্রতিনিধিত্ব করছে জাপান।
এছাড়াও,
– বিশ্বব্যাংকের মতে , উচ্চ-আয়ের অর্থনীতি বলতে সেইসব দেশকে বোঝায় যাদের মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় (GNI) ১৪,০০৫ ডলারের বেশি।
– ২০২৬ সালের মধ্যে চীন ‘মধ্যম-আয়ের’ থেকে ‘উচ্চ-আয়ের দেশে’ (HIC) রূপান্তরিত হবে ।
– কিন্তু জাপানের মোট জাতীয় আয় (GNI) ১৪,০০৫ ডলারের বেশি রয়েছে।
– জাপান, প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার জিডিপি নিয়ে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে অবস্থান করছে।
– অন্যদিকে, সিঙ্গাপুর বিশ্বের ৩৬তম অর্থনীতির দেশ।
– তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক সূচক অনুসারে সিঙ্গাপুর ও জাপান উন্নত দেশ। তবে প্রশ্নের ভাষার ধরন এবং বিশ্বের উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-৭ এর একমাত্র এশীয় সদস্য দেশ জাপান হওয়ায়, অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে ‘জাপান’ সঠিক উত্তর নেওয়া হল।
উৎস – i) G7 Official Website.
ii) World Economic Forum.
iii) Global policy journal.
iv) [Link] [Link] [Link].
প্রশ্ন ৭১. টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে নিচের কোনটির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশী?
ক) সক্ষমতা তৈরি
খ) অংশীদারিত্ব
গ) সমতা বিধান
ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর: খ) অংশীদারিত্ব
Live MCQ Analytics™: Right: 3%; Wrong: 67%; Unanswered: 28%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
– টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে অংশীদারিত্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
– সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
– এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
– এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
– ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
– মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
– বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
– মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।
এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷।
এছাড়াও,
– ১৬টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের (SDG) সফল বাস্তবায়নের জন্য SDG ১৭-এর অর্জন অত্যাবশ্যক, কারণ প্রতিটি লক্ষ্যের সফলতা নির্ভর করে কার্যকর অংশীদারিত্ব ও টেকসই সহযোগিতার উপর ভিত্তি করে।


সূত্র: UNDP ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক] [Link]
প্রশ্ন ৭২. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কি?
ক) পার্লামেন্ট
খ) কংগ্রেস
গ) সিনেট
ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ) কংগ্রেস
Live MCQ Analytics™: Right: 44%; Wrong: 34%; Unanswered: 20%; [Total: 5381]
ব্যাখ্যা:
– মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম হলো কংগ্রেস। এটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট—সিনেট (উচ্চকক্ষ) এবং হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ (নিম্নকক্ষ)।
যুক্তরাষ্ট্র:
– যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৫০টি রাজ্য রয়েছে, এর মধ্যে আলাস্কা ভৌগোলিকভাবে বৃহত্তম রাজ্য এবং ক্যালিফোর্নিয়া জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় অঙ্গরাজ্য।
– দেশটি ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে,
– ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
– যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা হলো কংগ্রেস,
– আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট—এর নিম্নকক্ষ হলো হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ হলো সিনেট।
– দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন এবং বর্তমানে (জুলাই ২০২৫) প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
উল্লেখ্য,
– যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হলো ক্রীতদাস প্রথার বিলোপ, এটি ১৮৬৩ সালে কার্যকর হয় এবং এ উদ্যোগের প্রধান রূপকার ছিলেন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
প্রশ্ন ৭৩. কোনটি উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহয়তাদানকারী সংস্থা?
ক) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
খ) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
গ) বিশ্বব্যাংক
ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো
Live MCQ Analytics™: Right: 51%; Wrong: 24%; Unanswered: 24%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
– আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তাদানের ক্ষেত্রে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, বিশ্বব্যাংক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন—এই তিনটি সংস্থাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উল্লেখ্য,
– এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং জ্বালানি খাতে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।
– বিশ্বব্যাংক বিশ্বের সর্ববৃহৎ উন্নয়ন সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দারিদ্র্য বিমোচন, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ব্যাপক অর্থায়ন করে।
– ইউরোপীয় ইউনিয়ন কেবল একটি অর্থনৈতিক জোট নয়, বরং উন্নয়ন সহযোগিতায় অনুদান ও ঋণের মাধ্যমে মানবাধিকার, গণতন্ত্র, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখে।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন:
– ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU) বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট।
– এটি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট,
– ১ নভেম্বর ১৯৯৩ সালে মাস্ট্রিচ চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
– ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।
– বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশের সংখ্যা ২৭টি। [জুলাই – ২০২৫]
– ইইউভুক্ত দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।
এছাড়াও,
– ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের একক মুদ্রা হলো ইউরো।
– ইউরো মুদ্রার জনক রবার্ট মুন্ডেল।
– ইইউভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইউরো মুদ্রার প্রচলন শুরু হয় ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে।
– ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সীমান্ত বাহিনীর নাম FRONTEX.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক:
– এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক,
– এটি ১৯৬৬ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
– এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অবস্থিত।
– বাংলাদেশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এর সদস্যপদ লাভ করে ১৪ মার্চ ১৯৭৩ সালে।
বিশ্বব্যাংক:
– বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই।
– যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ২৯টি দেশ ব্রেটন উডস চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
– আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
– কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
– বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।[জুলাই – ২০২৫]
– সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
– বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ।[জুলাই – ২০২৫]
– বিশ্বব্যাংক এর উদ্দেশ্য মধ্য আয়ের দেশ গুলোকে ঋণ প্রদান ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে।
– বিশ্বব্যাংক বলতে IBRD (International Bank for Reconstruction and Development) কে বুঝানো হয়।
– বিশ্বব্যাংকের প্রথম ঋণ গ্রহীতা দেশ ফ্রান্স।
সূত্র: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, বিশ্বব্যাংক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন ৭৪. চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ প্রকল্প কোন দেশসমূহের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি করবে?
ক) এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা
খ) এশিয়া, আফ্রিকা, আরব
গ) এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা
ঘ) এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা
সঠিক উত্তর: ঘ) এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা
Live MCQ Analytics™: Right: 48%; Wrong: 12%; Unanswered: 39%; [Total: 5807]
ব্যাখ্যা:
– চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ (OBOR) বা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) মূলত এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে ব্যাপক সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):
– বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
– ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
– এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।
– এই প্রকল্পটি দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত:
→ প্রথমত, ‘সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট’ যা স্থলপথে চীন থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে ইউরোপ পর্যন্ত বিস্তৃত রেল ও সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে।
→ দ্বিতীয়ত, ‘২১শ শতকের মেরিটাইম সিল্ক রোড’ যা সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া হয়ে আফ্রিকা ও ইউরোপের বন্দরগুলোর সাথে চীনের নৌ-সংযোগ প্রতিষ্ঠা করছে।
উল্লেখ্য,
– এই বিশাল পরিকল্পনায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, রাশিয়া, জার্মানি, ইতালি, কেনিয়া, ইথিওপিয়াসহ ৭০টিরও বেশি দেশ অংশগ্রহণ করছে।
– প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে এই তিন মহাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও Businessinsider নিউজ।
প্রশ্ন ৭৫. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
ক) সেভার্স চুক্ত
খ) লুজেন (Lausanne) চুক্তি
গ) ভার্সাই চুক্তি
ঘ) প্যারিস চুক্তি
সঠিক উত্তর: গ) ভার্সাই চুক্তি
Live MCQ Analytics™: Right: 65%; Wrong: 10%; Unanswered: 23%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
– প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে “ভার্সাই চুক্তি” (Treaty of Versailles) স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিটি ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে স্বাক্ষরিত হয় এবং এতে জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয় ও কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়।
ভার্সাই চুক্তি:
– ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে জার্মানি এবং মিত্রপক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
– এই চুক্তি অনুযায়ী জার্মানিকে দোষী সাব্যস্ত করে বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ প্রদানে সম্মত করা হয়।
– ১০ জানুয়ারি ১৯২০ থেকে এই চুক্তি কার্যকর হয়।
– এর আগে ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি কর্তৃক সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটে।
অন্যদিকে:
– সেভার্স চুক্তি: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়। কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
– লুজান চুক্তি: ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
– প্যারিস চুক্তি: প্যারিস চুক্তি ২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে গৃহীত হয়। এর মূল লক্ষ্য বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।
প্রশ্ন ৭৬. জাতিসংঘের কোন সংস্থা বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যকার রোহিঙ্গা বিষয়ে মধ্যস্থতা করছে?
ক) ইউএনডিপি
খ) ইউনিসেফ
গ) ইউএনএইচসিআর
ঘ) ইউনেস্কো
সঠিক উত্তর: গ) ইউএনএইচসিআর
Live MCQ Analytics™: Right: 70%; Wrong: 4%; Unanswered: 24%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
– জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর (UNHCR) বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যকার রোহিঙ্গা সংকটে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। এই সংস্থাটি ২০১৭ সালের রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই কক্সবাজারে বসবাসরত রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক সহায়তা, নিবন্ধন, খাদ্য, চিকিৎসা, আশ্রয় এবং শিক্ষার ব্যবস্থা করে আসছে।
UNHCR:
– এর পূর্ণরূপ United Nations High Commissioner for Refugees।
– জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR) শরণার্থীদের কল্যাণ ও সুরক্ষার জন্য কাজ করে।
– দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপীয় শরণার্থীদের সহায়তার লক্ষ্যে ১৯৫০ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তে UNHCR গঠিত হয়।
– সংস্থাটির প্রধানকে হাইকমিশনার বলা হয় এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
– শরণার্থীদের পুনর্বাসন, আশ্রয় ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী কাজ করে।
– এই মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য UNHCR দুইবার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে—১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে।
উল্লেখ্য,
– UNHCR বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে মায়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের মূল লক্ষ্য হলো রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা।
অন্যদিকে,
– ইউএনডিপি মূলত উন্নয়ন কার্যক্রমে, ইউনিসেফ শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্যে, এবং ইউনেস্কো শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কাজ করে।
সূত্র: UNHCR ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম – ১০ম শ্রেণি।
প্রশ্ন ৭৭. বর্তমান বিশ্বের কতটি দেশ জাতিসংঘের সদস্য?
ক) ১৮৩
খ) ১৮৮
গ) ১৯৩
ঘ) ১৯৭
সঠিক উত্তর: গ) ১৯৩
Live MCQ Analytics™: Right: 76%; Wrong: 6%; Unanswered: 17%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
– বর্তমান বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। সবশেষ সদস্য দেশ দক্ষিণ সুদান, এটি ২০১১ সালে জাতিসংঘে যোগ দেয়।
• জাতিসংঘ:
– ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
– এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
– জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
– এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।[জুলাই – ২০২৫]
– জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
– জাতিসংঘের সদর দপ্তরের স্থপতি – ডব্লিউ হ্যারিসন।
– জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।[জুলাই – ২০২৫]
– ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
উল্লেখ্য,
– বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘে যোগদান করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
– বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য।
সূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন ৭৮. জাতিসংঘ কবে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে?
ক) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫
খ) ২৮ নভেম্বর, ১৯৪৩
গ) ২৮ জানুয়ারি, ১৯৪৩
ঘ) ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৫
সঠিক উত্তর: ক) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫
Live MCQ Analytics™: Right: 81%; Wrong: 1%; Unanswered: 16%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: – জাতিসংঘ ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। এই তারিখে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
জাতিসংঘ:
– বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ।
– এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
– ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
– ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
– জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
– বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।[জুলাই – ২০২৫]
– জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
– বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।[জুলাই – ২০২৫]
– সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
– দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
– কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি – ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
জাতিসংঘের ছয়টি মূল অঙ্গসংস্থা (Principal Organs) হলো:
→ সাধারণ পরিষদ (General Assembly),
→ নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council),
→ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (Economic and Social Council – ECOSOC),
→ আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (International Court of Justice – ICJ),
→ অছি পরিষদ (Trusteeship Council),
→ জাতিসংঘ সচিবালয় (UN Secretariat).
সূত্র: UN ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন ৭৯. ‘সাফটা’ (SAFTA) চুক্তি কত সালে সম্পাদিত হয়?
ক) ১৯৯৮
খ) ২০০২
গ) ২০০৪
ঘ) ২০০৯
সঠিক উত্তর: গ) ২০০৪
Live MCQ Analytics™: Right: 19%; Wrong: 10%; Unanswered: 69%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
– দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (SAFTA) ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি ইসলামাবাদে ১২তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৬ সালে কার্যকর হয়।
সাফটা চুক্তি:
– ‘সাফটা’ (SAFTA) চুক্তি ২০০৪ সালে সম্পাদিত হয়।
– এটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) এর সদস্য দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
– চুক্তিটি ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
– SAFTA চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শুল্ক ও বাণিজ্য বাধা কমিয়ে আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গঠন করা।
– এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান—এই ৮টি দেশ অন্তর্ভুক্ত। [জুলাই – ২০২৫]
SAARC:
– SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
– SAARC দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
– এটি ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
– এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ৭টি—বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান ও মালদ্বীপ।
– এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা ঢাকায় হয় এবং প্রথম সম্মেলনও ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য,
– আফগানিস্তান SAARC-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয়।
– আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল ৮ম সদস্য হিসেবে সার্কে যোগ দেয়।
– এটি SAARC-এ যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ।[জুলাই – ২০২৫]
– বর্তমানে SAARC-এর মোট সদস্য সংখ্যা ৮টি।[জুলাই – ২০২৫]
সূত্র: SAARC ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।
প্রশ্ন ৮০. কোন ঘটনার কারণে ধরিত্রী দিবসের সূচনা হয়?
ক) ব্যাপক বায়ু দূষণ
খ) জলবায়ু পরিবর্তন
গ) ব্যাপক তেল নিঃসরণ
ঘ) পারমানবিক বিস্ফোরণ
সঠিক উত্তর: গ) ব্যাপক তেল নিঃসরণ
Live MCQ Analytics™: Right: 17%; Wrong: 54%; Unanswered: 27%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা:
– ধরিত্রী দিবস বা Earth Day-এর সূচনা হয় ১৯৬৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা উপকূলে সংঘটিত একটি ভয়াবহ তেল নিঃসরণের ঘটনা থেকে। ঐ সময় ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানির একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে তেল সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়ে।
ধরিত্রী দিবস:
– পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালন করা হয়।
– এটি জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত একটি দিবস।
– সর্বপ্রথম ১৯৭০ সালে দিবসটি পালিত হয়।
– বর্তমানে আর্থ ডে নেটওয়ার্ক কর্তৃক বিশ্বব্যাপি এ দিবসটি পালন করা হয়।
– ১৯৯০ সালে বাৎসরিক পঞ্জিকায় দিবসটিকে স্থান দেয় জাতিসংঘ।
– জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহকে তা পালনের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়।
– এরপর দিবসটি ‘বিশ্ব ধরিত্রী দিবস’ নামে আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হচ্ছে।
– বর্তমানে ১৯৩টি দেশে প্রতি বছর ধরিত্রী দিবস পালিত হয়।
সূত্র: United Nations Foundation ও Earth Day 2025 ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন ৮১. কোনটি অশুদ্ধ বানান?
ক) Pneumonia
খ) Dyspepsia
গ) Gastitris
ঘ) Diarrhoea
সঠিক উত্তর: গ) Gastitris
Live MCQ Analytics™: Right: 70%; Wrong: 7%; Unanswered: 22%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: অশুদ্ধ বানান হলো: গ) Gastitris.
এর সঠিক বানান – Gastritis.
• Gastritis:
English meaning: an illness in which the stomach walls become swollen and painful.
Bangla meaning: পাকাশয়প্রদাহ।
অন্য শুদ্ধ বানান গুলোর অর্থ –
ক) Pneumonia:
English meaning: a serious illness in which one or both lungs become red and swollen and filled with liquid.
Bangla meaning: একটি বা উভয় ফুসফুসের প্রদাহঘটিত গুরুতর রোগ; ফুসফুসপ্রদাহ।
খ) Dyspepsia:
English meaning: any symptom, such as discomfort or pain, coming from the upper digestive tract.
Bangla meaning: অজীর্ণ রোগ; পেটের অসুখ; বদহজম।
ঘ) Diarrhoea [UK]: [US diarrhea]
English meaning: an illness in which the body’s solid waste is more liquid than usual and comes out of the body more often.
Bangla meaning: উদরাময়; পেটের অসুখ; ঘন ঘন পাতলা পায়খানা।
Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
প্রশ্ন ৮২. নিচের চিত্রে BC এর মান কত?
ক) 9 মিটার
খ) 6 মিটার
গ) 4 মিটার
ঘ) 3 মিটার
সঠিক উত্তর: ক) 9 মিটার
Live MCQ Analytics™: Right: 66%; Wrong: 5%; Unanswered: 27%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: নিচের চিত্রে BC এর মান কত?

সমাধান:
ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে উভয় পাশে ভর ও দৈর্ঘ্যের গুণফল সমান হতে হবে।
ধরি,
AC অংশের দৈর্ঘ্য, l1
BC অংশের দৈর্ঘ্য, l2
AC অংশের ভর, m1
BC অংশের ভর, m2
এখন
∴ l1 × m1 = l2 × m2
⇒ 6 × 6 = l2 × 4
⇒ 4l2 = 36
⇒ l2 = 36/4
∴ l2 = 9
∴ BC এর মান 9 মিটার
প্রশ্ন ৮৩. A(1, – 1), B(2, 2) এবং C(4, t) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে t এর মান কত?
ক) 8
খ) 6
গ) 4
ঘ) 7
সঠিক উত্তর: ক) 8
Live MCQ Analytics™: Right: 15%; Wrong: 18%; Unanswered: 66%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: A(1, – 1), B(2, 2) এবং C(4, t) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে t এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
A(1, – 1), B(2, 2) এবং C(4, t)
আমরা জানি,
(X1, Y1) ও (X2, Y2) বিন্দুগামী রেখার ঢাল = (y2 – y1)/(x2 – x1)
তিনটি বিন্দু A(1, – 1), B(2, 2), C(4, t) সমরেখ হলে, তাদের মধ্যে যেকোনো দুইটি বিন্দু দ্বারা নির্ধারিত সরলরেখার ঢাল এবং তৃতীয় বিন্দুর সাথে অন্য একটি বিন্দুর মধ্যকার ঢাল সমান হবে।
এখন,
AB এর ঢাল,
mAB = (y2 – y1)/(x2 – x1)
= {2 – (- 1)}/(2 – 1)
= (2 + 1)/1
= 3
BC এর ঢাল
mBC = (y2 – y1)/(x2 – x1)
= (t – 2)/(4 – 2)
= (t – 2)/2
∴ তিনটি বিন্দু সমরেখ হলে ঢাল দুটি সমান হবে।
∴ (t – 2)/2 = 3
⇒ t – 2 = 6
⇒ t = 6 + 2
⇒ t = 8
প্রশ্ন ৮৪. নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
ক) ৪টি
খ) ৫টি
গ) ৬টি
ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর: খ) ৫টি
Live MCQ Analytics™: Right: 68%; Wrong: 11%; Unanswered: 19%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?

সমাধান:

এখানে,
১টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে, ABE, BDE, ACD = ৩টি
২টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে, ABD = ১টি
৩টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে, ABC = ১টি
∴ মোট ত্রিভুজ আছে = ৩ + ১ + ১ = ৫টি
—————————————

ত্রিভুজগুলো হলো: 1, 2, 3, 12, 123
∴ মোট ত্রিভুজ আছে = ৫টি
প্রশ্ন ৮৫. একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা যথাক্রমে ৩ মিটার, ৪ মিটার ও ৫ মিটার হলে, এতে কত লিটার বিশুদ্ধ পানি ধরবে?
ক) ৬০০০০০
খ) ৬০০০০
গ) ৬০০০
ঘ) ৬০০
সঠিক উত্তর: খ) ৬০০০০
Live MCQ Analytics™: Right: 50%; Wrong: 7%; Unanswered: 42%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা যথাক্রমে ৩ মিটার, ৪ মিটার ও ৫ মিটার হলে, এতে কত লিটার বিশুদ্ধ পানি ধরবে?
প্রশ্নটি হওয়ার কথা, একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা যথাক্রমে ৫ মিটার, ৪ মিটার ও ৩ মিটার হলে, এতে কত লিটার বিশুদ্ধ পানি ধরবে?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = ৫ মিটার
চৌবাচ্চার প্রস্থ = ৪ মিটার
চৌবাচ্চার উচ্চতা = ৩ মিটার
আমরা জানি,
চৌবাচ্চার আয়তন = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা) ঘন একক
= (৫ × ৪ × ৩) = ৬০ ঘনমিটার
আবার,
আমরা জানি,
১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার
∴ চৌবাচ্চাটিতে বিশুদ্ধ পানি ধরবে = ৬০ × ১০০০ = ৬০০০০ লিটার
প্রশ্ন ৮৬. log2 + log4 + log৪ + ………. ধারাটির অষ্টম পদ কোনটি?
ক) log256
খ) log128
গ) log64
ঘ) log32
সঠিক উত্তর: ক) log256
Live MCQ Analytics™: Right: 67%; Wrong: 5%; Unanswered: 27%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: log2 + log4 + log8 + ………. ধারাটির অষ্টম পদ কোনটি?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
log2 + log4 + log8 + ……….
= log21 + log22 + log23 + ……….
= log2 + 2log2 + 3log2 + ……….
= (1 + 2 + 3 + …………………)log2
আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n তম পদ, a + (n – 1)d
এখানে,
a = 1 d = 2 – 1 = 1
সমান্তর ধারার 8 তম পদ = 1 + (8 – 1) × 1
= 1 + 7
= 8
∴ ধারাটির অষ্টম পদ = 8log2 = log28 = log256
প্রশ্ন ৮৭. যদি U = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10}, P = {1, 2, 5} এবং Q = {6, 7} হয় তবে P ∩ Q‘ এর মান কত?
ক) P
খ) Q
গ) Q‘
ঘ) P‘
সঠিক উত্তর: ক) P
Live MCQ Analytics™: Right: 59%; Wrong: 3%; Unanswered: 36%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: যদি U = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10}, P = {1, 2, 5} এবং Q = {6, 7} হয় তবে P ∩ Q‘ এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
U = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10}
P = {1, 2, 5} এবং Q = {6, 7}
এখন,
Q‘ = U – Q
= {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10} – {6, 7}
= {1, 2, 3, 4, 5, 8, 9, 10}
∴ P ∩ Q‘ = {1, 2, 5} ∩ {1, 2, 3, 4, 5, 8, 9, 10}
= {1, 2, 5}
= P
P ∩ Q‘ = P
প্রশ্ন ৮৮. ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট ৬ ঘন্টার কত অংশ?
ক) ১/৬
খ) ১/৫
গ) ৪/৯
ঘ) ১/৪
সঠিক উত্তর: গ) ৪/৯
Live MCQ Analytics™: Right: 63%; Wrong: 2%; Unanswered: 33%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট ৬ ঘন্টার কত অংশ?
সমাধান:
আমরা জানি,
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট
দেওয়া আছে,
২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট = (২ × ৬০) + ৪০ = ১৬০ মিনিট।
এবং ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) = ৩৬০ মিনিট।
∴ ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট ৬ ঘণ্টার ১৬০/৩৬০ = ৪/৯ অংশ।
প্রশ্ন ৮৯.
ক) 3/2
খ) 2/3
গ) 5/2
ঘ) 2/5
সঠিক উত্তর: ক) 3/2
Live MCQ Analytics™: Right: 29%; Wrong: 3%; Unanswered: 67%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন:

সমাধান:

প্রশ্ন ৯০. যদি log10x = – 3 হয়, তবে x এর মান কত?
ক) 0.1
খ) 0.01
গ) 0.001
ঘ) 0.0001
সঠিক উত্তর: গ) 0.001
Live MCQ Analytics™: Right: 64%; Wrong: 6%; Unanswered: 29%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: যদি log10x = – 3 হয়, তবে x এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
log10x = – 3
⇒ x = 10– 3
⇒ x = 1/103
⇒ x = 1/1000
∴ x = 0.001
প্রশ্ন ৯১. যদি P = 16 এবং TAP = 37 হয় তবে CUP-কত?
ক) 40
খ) 38
গ) 36
ঘ) 39
সঠিক উত্তর: ক) 40
Live MCQ Analytics™: Right: 67%; Wrong: 3%; Unanswered: 28%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: যদি P = 16 এবং TAP = 37 হয় তবে CUP-কত?
সমাধান:

দেওয়া আছে,
P = 16
এবং TAP = 37
ইংরেজি বর্ণমালা হতে পাই,
T + A + P = 20 + 1 + 16 = 37
সেই অনুসারে,
CUP = C + U + P = 3 + 21 + 16 = 40
অর্থাৎ, CUP এর মান 40.
প্রশ্ন ৯২. নিচের কোনটি যেকোনো সেটের উপসেট?
ক) Ø
খ) (Ø)
গ) {Ø}
ঘ) {0}
সঠিক উত্তর: ক) Ø
Live MCQ Analytics™: Right: 38%; Wrong: 30%; Unanswered: 31%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: নিচের কোনটি যেকোনো সেটের উপসেট?
সমাধান:
– কোনো সেট থেকে যতগুলো সেট গঠন করা যায়, এদের প্রত্যেকটি সেটকে ঐ সেটের উপসেট বলা হয়।
– প্রত্যেকটি সেট নিজের উপসেট।
– Ø (ফাঁকা সেট) যেকোনো সেটের উপসেট।
ধরি
A = {x, y} একটি সেট।
এই সেটের উপাদান থেকে {x, y}, {x}, {y} সেটগুলো গঠন করা যায়।
আবার, কোনো উপাদান না নিয়ে Ø সেট গঠন কর যায়।
এখানে, গঠিত {x, y}, {x}, {y}, Ø প্রত্যেকটি A সেটের উপসেট।
প্রশ্ন ৯৩. x + 1/x = 2 হলে x4 + 1/x4 এর মান কত?
ক) 1
খ) 0
গ) 2
ঘ) 1/2
সঠিক উত্তর: গ) 2
Live MCQ Analytics™: Right: 57%; Wrong: 9%; Unanswered: 32%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: x + 1/x = 2 হলে x4 + 1/x4 এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + (1/x) = 2
⇒ {x + (1/x)}2 = 22 [বর্গ করে] [(a + b)2 = a2 + 2ab + b2]
⇒ x2 + 2 × x × (1/x) + (1/x)2 = 4
⇒ x2 + (1/x2) = 4 – 2
⇒ {x2 + (1/x2)}2 = 22 [আবার বর্গ করে]
⇒ (x2)2 + 2 × x2 × (1/x2) + (1/x2)}2 = 4
⇒ x4 + 1/x4 = 4 – 2
∴ x4 + 1/x4 = 2
প্রশ্ন ৯৪. একটি গাছের পাদদেশ হতে 26√3 মিটার দূরে একটি স্থানে গাছটির শীর্ষের উন্নতি কোণ 30° হলে, গাছটির উচ্চতা কত মিটার?
ক) √3/26
খ) 26/√3
গ) 26
ঘ) 78
সঠিক উত্তর: গ) 26
Live MCQ Analytics™: Right: 36%; Wrong: 7%; Unanswered: 56%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: একটি গাছের পাদদেশ হতে 26√3 মিটার দূরে একটি স্থানে গাছটির শীর্ষের উন্নতি কোণ 30° হলে, গাছটির উচ্চতা কত মিটার?
সমাধান:

এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য ত্রিকোণমিতির tan অনুপাত ব্যবহার করতে হবে।
ধরি,
গাছটির উচ্চতা = h মিটার
গাছের পাদদেশ থেকে দূরবর্তী স্থানের দূরত্ব = 26√3 মিটার
গাছটির শীর্ষের উন্নতি কোণ = 30°.
আমরা জানি,
tanθ = (লম্ব/ভূমি)
এখন,
⇒ tan30° = গাছটির উচ্চতা/গাছটির পাদদেশ থেকে দূরবর্তী স্থানের দূরত্ব
⇒ tan(30°) = h/26√3
⇒ 1/√3 = h/26√3
⇒ h = (1/√3)(26√3)
∴ h = 26 মিটার
∴ গাছটির উচ্চতা = 26 মিটার
প্রশ্ন ৯৫. √(9/4) সংখ্যাটি-
ক) স্বাভাবিক সংখ্যা
খ) মূলদ সংখ্যা
গ) অমূলদ সংখ্যা
ঘ) জটিল সংখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) মূলদ সংখ্যা
Live MCQ Analytics™: Right: 64%; Wrong: 10%; Unanswered: 25%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: √(9/4) সংখ্যাটি-
সমাধান:
স্বাভাবিক সংখ্যা:
স্বাভাবিক সংখ্যা হলো ১ থেকে শুরু হওয়া ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা। যেমন: 1, 2, 3, … ইত্যাদি
মূলদ সংখ্যা:
যে সকল সংখ্যাকে দুইটি অখণ্ড সংখ্যা p ও q এর অনুপাত p/q রূপে প্রকাশ করা যায় সেগুলোকে মূলদ সংখ্যা বলা হয়।
শূন্য, স্বাভাবিক সংখ্যা, প্রকৃত ভগ্নাংশ, অপ্রকৃত ভগ্নাংশ অর্থাৎ সাধারণ ভগ্নাংশ সবই মূলদ সংখ্যা। যেমন: 3/2, 3/4 1.3333… ইত্যাদি
অমূলদ সংখ্যা:
যে সকল সংখ্যাকে p/q আকারে প্রকাশ করা যায় না অর্থাৎ সাধারণ ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায় না এবং পূর্ণবর্গ নয় এমন সকল স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূলকে অমূলদ সংখ্যা বলা হয়। যেমন: √2, √3, π … ইত্যাদি
জটিল সংখ্যা:
জটিল সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যেখানে একটি বাস্তব অংশ এবং একটি কাল্পনিক অংশ থাকে। যেমন: 2 + 3i
এখন,
√(9/4) = √9/√4 = 3/2 = 1.5 যা একটি মূলদ সংখ্যা।
প্রশ্ন ৯৬. ।3x – 4। ≤ 2 এর সমাধান-
ক) (2/3) ≤ x ≤ 2
খ) (2/3) ≤ x < 2
গ) (2/3) < x ≤ 2
ঘ) (2/3) < x < 2
সঠিক উত্তর: ক) (2/3) ≤ x ≤ 2
Live MCQ Analytics™: Right: 60%; Wrong: 5%; Unanswered: 33%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: ।3x – 4। ≤ 2 এর সমাধান-
সমাধান:
।3x – 4। ≤ 2
বা, – 2 ≤ 3x – 4 ≤ 2
বা, – 2 + 4 ≤ 3x – 4 + 4 ≤ 2 + 4
বা, 2 ≤ 3x ≤ 6
বা, (2/3) ≤ (3x/3) ≤ (6/3)
∴ (2/3) ≤ x ≤ 2
প্রশ্ন ৯৭. ১, ৪, ৯, ১৬, ২৫,…………..অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
ক) ৬৬
খ) ৪৯
গ) ৩৬
ঘ) ৩৪
সঠিক উত্তর: গ) ৩৬
Live MCQ Analytics™: Right: 76%; Wrong: 1%; Unanswered: 22%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: ১, ৪, ৯, ১৬, ২৫,…………..অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
সমাধান:
প্রদত্ত অনুক্রম- ১, ৪, ৯, ১৬, ২৫,…….
= ১২, ২২, ৩২, ৪২, ৫২, …….
অর্থাৎ, এই অনুক্রমটি হলো স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের অনুক্রম।
সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি = ৬২ = ৩৬
প্রশ্ন ৯৮. x – 2y – 10= 0 এবং 2x + y – 3 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?
ক) – 2
খ) 2
গ) – 3
ঘ) – 1
সঠিক উত্তর: ঘ) – 1
Live MCQ Analytics™: Right: 23%; Wrong: 4%; Unanswered: 72%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: x – 2y – 10= 0 এবং 2x + y – 3 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
x – 2y – 10 = 0 এবং 2x + y – 3 = 0
আমরা জানি,
সরল রেখার সাধারণ সমীকরণ, y = mx + c [যেখানে, m = ঢাল]
এখন,
প্রথম রেখার ঢাল:
x – 2y – 10 = 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
⇒ 2y = x – 10
∴ y = (1/2)x – 5
সুতরাং, প্রথম রেখার ঢাল, m1 = 1/2
আবার,
দ্বিতীয় রেখার ঢাল:
2x + y – 3 = 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
⇒ y = – 2x + 3
সুতরাং, দ্বিতীয় রেখার ঢাল, m2 = – 2
∴ ঢালদ্বয়ের গুণফল = m1 × m2 = (1/2) × (- 2) = – 1
এই দুটি রেখা পরস্পর লম্ব, কারণ তাদের ঢালদ্বয়ের গুণফল – 1.
প্রশ্ন ৯৯. যদি x : y = 4 : 3, y : z = 5 : 4 এবং x = 200 হয়, তবে z এর মান কত?
ক) 100/3
খ) 800/3
গ) 150
ঘ) 120
সঠিক উত্তর: ঘ) 120
Live MCQ Analytics™: Right: 61%; Wrong: 2%; Unanswered: 36%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: যদি x : y = 4 : 3, y : z = 5 : 4 এবং x = 200 হয়, তবে z এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
x : y = 4 : 3, y : z = 5 : 4 এবং x = 200
যেহেতু x : y = 4 : 3 এবং x = 200, সেহেতু আমরা লিখতে পারি,
⇒ x/y = 4/3
⇒ 200/y = 4/3
⇒ 4y = 200 × 3
⇒ 4y = 600
⇒ y = 600/4
∴y = 150
আবার,
যেহেতু y : z = 5 : 4 এবং y = 150, সেহেতু আমরা লিখতে পারি,
⇒ y/z = 5/4
⇒ 150/z = 5/4 ;[y = 150]
⇒ 5z = 150 × 4
⇒ 5z = 600
⇒ z = 600/5
∴ z = 120
প্রশ্ন ১০০. k এর মান কত হলে kx2 + 3x + 4 রাশিটি পূর্ণবর্গ হবে?
ক) – 16/9
খ) – 9/16
গ) 9/16
ঘ) 16/9
সঠিক উত্তর: গ) 9/16
Live MCQ Analytics™: Right: 35%; Wrong: 3%; Unanswered: 60%; [Total: 8791]
ব্যাখ্যা: প্রশ্ন: k এর মান কত হলে, kx2 + 3x + 4 রাশিটি পূর্ণবর্গ হবে?
সমাধান:
পূর্ণবর্গ হওয়ার শর্ত:
একটি দ্বিঘাত রাশি ax2 + bx + c পূর্ণবর্গ হবে যদি এর নিশ্চায়ক শূন্য হয়।
অর্থাৎ b2 – 4ac = 0
kx2 + 3x + 4 এর সাথে ax2 + bx + c তুলনা করে পাই,
a = k, b = 3, এবং c = 4.
∴ 32 – 4 × k × 4 = 0
⇒ 9 – 16k = 0
⇒ 16k = 9
∴ k = 9/16.